৩৩/৫. অধ্যায়ঃ
মেহমানের অধিকার
রাতের মেহমানের অধিকার: আপ্যায়নের দায় ও ক্ষমার সুযোগ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৭৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৬৭৭
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ الْمِقْدَامِ أَبِي كَرِيمَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لَيْلَةُ الضَّيْفِ وَاجِبَةٌ فَإِنْ أَصْبَحَ بِفِنَائِهِ فَهُوَ دَيْنٌ عَلَيْهِ فَإِنْ شَاءَ اقْتَضَى وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ " .
মিকদাম আবূ কারীমাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, রাতে আগত মেহমানকে আপ্যায়ন করা বাধ্যতামূলক। কারো বাড়ির আঙ্গিনায় মেহমান (অভুক্ত) রাত কাটালে সেটা (বাড়ির মালিকের জন্য) ঋণস্বরূপ। মেহমান ইচ্ছা করলে এ ঋণ উসুল করতেও পারে, অথবা ত্যাগও করতে পারে।
[৩০০৯] আবূ দাউদ ৩৭৫০, ৩৭৫১, আহমাদ ১৬৭২০, ১৬৭৪৪, ১৮৭৪৪। আত তা’লীকুর রাগীব ৩/২৪২, সহীহাহ ২২০৪
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৭৭-এর সারসংক্ষেপ
রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, রাতে আগত মেহমানকে আপ্যায়ন করা বাধ্যতামূলক। যদি কোনো মেহমান কারো আঙ্গিনায় অভুক্ত রাত কাটায়, তবে তা বাড়ির মালিকের উপর ঋণস্বরূপ। মেহমান চাইলে সে অধিকার আদায় করতে পারে, আবার চাইলে ছেড়েও দিতে পারে। এই হাদিসে রাতের মেহমানের জরুরি অবস্থার কথা বোঝা যায়। কেউ দরজায় এসে রাত কাটালে তাকে অবহেলা করা উচিত নয়। তবে মেহমানের দিকেও ছাড় দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তাই হাদিসটি দায়িত্ব, ন্যায্য অধিকার এবং ক্ষমাশীলতার ভারসাম্য শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতে আগত মেহমানের আপ্যায়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- মেহমানকে অভুক্ত রাখা দায়ের কারণ হতে পারে।
- মেহমান চাইলে অধিকার ছাড়তেও পারে—এতে ক্ষমাশীলতার শিক্ষা আছে।
