৩২/৩৬. অধ্যায়ঃ
কেশ গুচ্ছবদ্ধ করা গুচ্ছহীন রাখা
নবীজির চুলের দৈর্ঘ্য: জুম্মা ও ওয়াফরার মাঝের বর্ণনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৬৩৫
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ شَعَرٌ دُونَ الْجُمَّةِ وَفَوْقَ الْوَفْرَةِ.
আয়িশাহ (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মাথার চুল ছিলো জুম্মার নিচে এবং ওয়াফরার উপরে।
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর মাথার চুল ছিল জুম্মার নিচে এবং ওয়াফরার উপরে। এটি চুলের দৈর্ঘ্য বোঝানোর একটি বর্ণনা। হাদিসে ব্যবহৃত শব্দগুলো চুলের নির্দিষ্ট পরিমাণ বোঝাতে এসেছে। সহজভাবে বলা যায়, নবীজির চুল খুব ছোটও ছিল না, আবার অতিরিক্ত লম্বা বলেও এখানে বলা হয়নি; বরং মাঝামাঝি দৈর্ঘ্যের কথা এসেছে। তবে এই ব্যাখ্যায় শব্দগুলোর বাইরে বাড়তি কোনো দাবি করা হয়নি। ‘নবীজির চুলের দৈর্ঘ্য’, ‘জুম্মা ওয়াফরা’, ‘রাসূলের চুল’—এসব সার্চের জন্য এই বর্ণনা কাজে লাগে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজির চুলের দৈর্ঘ্য জুম্মা ও ওয়াফরার মাঝামাঝি বলা হয়েছে।
- আয়িশা (রাঃ) নবীজির ব্যক্তিগত বর্ণনা সংরক্ষণ করেছেন।
- চুলের বর্ণনা বুঝতে হাদিসের শব্দের সীমা মানা জরুরি।
