৩২/১৭. অধ্যায়ঃ
যাকে রেশমী বস্ত্র পরিধানের অনুমতি দেয়া হয়েছে
চর্মরোগের কারণে রেশমি জামার অনুমতি: একটি বিশেষ বর্ণনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৯২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، . أَنَّ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، نَبَّأَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ رَخَّصَ لِلزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ وَلِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ فِي قَمِيصَيْنِ مِنْ حَرِيرٍ مِنْ وَجَعٍ كَانَ بِهِمَا حِكَّةٍ .
আনাস বিন মালিক (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুবাইর ইবন আওয়াম ও আবদুর রহমান বিন আওফ (রাঃ) কে তাদের চর্মরোগের কারণে রেশমি জামা পরার অনুমতি দেন।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৯২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জুবাইর ইবন আওয়াম এবং আবদুর রহমান বিন আওফ (রাঃ)-কে তাঁদের চর্মরোগের কারণে রেশমি জামা পরার অনুমতি দিয়েছিলেন। বর্ণনায় কারণও স্পষ্ট করা হয়েছে—তাঁদের শরীরে এমন কষ্ট ছিল যার সঙ্গে চুলকানির কথা এসেছে। তাই এই হাদিসকে সাধারণ রেশম পরার অনুমতি হিসেবে নয়, বরং উল্লেখিত অসুস্থতার কারণে বিশেষ অনুমতি হিসেবে বুঝতে হবে। এখানে পোশাকের নিয়মের পাশাপাশি অসুস্থ মানুষের অবস্থার দিকটিও দেখা যায়। হাদিসটি শেখায়, নবীজির নির্দেশনা বাস্তব কষ্ট ও প্রয়োজনের বিষয়কে বিবেচনা করেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চর্মরোগের কারণে নির্দিষ্ট সাহাবিদের রেশমি জামার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
- এই অনুমতিকে সাধারণ অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
- অসুস্থতার কষ্ট বিবেচনায় বিশেষ অনুমতির বর্ণনা এসেছে।
- হাদিস বুঝতে বর্ণনায় উল্লেখিত কারণ লক্ষ্য করা জরুরি।
