৩২/১৬. অধ্যায়ঃ
রেশমী বস্ত্র পরিধান নিষিদ্ধ
রেশম ও সোনা ব্যবহার: দুনিয়া ও আখেরাতের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৯০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ لُبْسِ الْحَرِيرِ وَالذَّهَبِ وَقَالَ " هُوَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَلَنَا فِي الآخِرَةِ " .
হুযায়ফা (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রেশমি বস্ত্র ও সোনার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন এবং বলেছেনঃ এটা দুনিয়াতে তাদের জন্য এবং আখেরাতে আমাদের জন্য।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রেশমি বস্ত্র ও সোনার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন। এরপর তিনি বলেন, এটা দুনিয়াতে তাদের জন্য এবং আখেরাতে আমাদের জন্য। হাদিসটি পোশাক ও অলংকারের ক্ষেত্রে একটি গভীর সতর্কতা দেয়। দুনিয়ার সুন্দর জিনিস দেখে মুগ্ধ হওয়া সহজ, কিন্তু নবীজির নির্দেশনা মুসলিমকে সংযম শেখায়। এখানে রেশমি বস্ত্র ও সোনা দুটির কথা একসঙ্গে এসেছে, তাই ব্যাখ্যায়ও এই দুই বিষয়কে আলাদা করে বাড়তি দাবি না করে মূল কথাটি ধরা দরকার। হাদিসটি আখেরাতের কথা মনে রেখে দুনিয়ার ব্যবহারে সীমা মানার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রেশমি বস্ত্র ও সোনার ব্যবহার সম্পর্কে নবীজির নিষেধ এসেছে।
- দুনিয়ার সাজসজ্জার চেয়ে আখেরাতের মর্যাদা বড় করে ভাবা উচিত।
- পোশাক ও অলংকারেও সংযম দরকার।
- নবীজির নির্দেশনা মুসলিম জীবনে সীমা শেখায়।
