৩২/১৬. অধ্যায়ঃ
রেশমী বস্ত্র পরিধান নিষিদ্ধ
রেশমী বস্ত্র পরা সম্পর্কে আখেরাতের সতর্কতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৮৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ لَبِسَ الْحَرِيرَ فِي الدُّنْيَا لَمْ يَلْبَسْهُ فِي الآخِرَةِ " .
আনাস বিন মালিক (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমী বস্ত্র পরিধান করলো, আখেরাতে সে তা পরিধান করতে পারবে না।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমী বস্ত্র পরিধান করলো, আখেরাতে সে তা পরিধান করতে পারবে না। কথাটি সংক্ষিপ্ত হলেও সতর্কতা খুব গভীর। এখানে রেশমী বস্ত্র পরার ব্যাপারে আখেরাতের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ফলাফলের কথা বলা হয়েছে। হাদিসের ভাষা যেমন এসেছে, তেমনভাবেই বুঝতে হবে—দুনিয়ার পোশাকের পছন্দও মানুষের আখেরাতের অবস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। তাই রেশমী পোশাক নিয়ে অবহেলা না করে সতর্ক থাকা দরকার। এই হাদিস মুসলিম জীবনে পোশাকের আদব, সংযম ও নববী নির্দেশনা মানার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রেশমী বস্ত্র পরার বিষয়ে হাদিসে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
- দুনিয়ার পোশাকের ব্যবহার আখেরাতের বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
- নবীজির নিষেধকে হালকা করে দেখা উচিত নয়।
- পোশাকের ক্ষেত্রেও দ্বীনি সংযম দরকার।
