৩২/৩. অধ্যায়ঃ
যেসব পোশাক পরিধান করতে নিষেধ করা হয়েছে
পোশাকের শালীনতা: এক কাপড়ে বসার সতর্কতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৬১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَأَبُو أُسَامَةَ عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ لِبْسَتَيْنِ اشْتِمَالِ الصَّمَّاءِ وَالاِحْتِبَاءِ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ وَأَنْتَ مُفْضٍ فَرْجَكَ إِلَى السَّمَاءِ .
আয়িশাহ (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাপড় পরিধানের দুইটি পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছেনঃ (১) এক কাঁধ খোলা রেখে একই চাদর গোটা শরীরে জড়িয়ে নেয়া এবং। (২) একই কাপড়ে পেট, উরু ও পায়ের গোছা ঢেকে তোমার নিতম্ব মাটিতে ঠেকিয়ে দু’হাঁটু উঁচু করে বসা এবং লজ্জাস্থানে এর কোন অংশ না থাকা।
তাহকিক আলবানীঃ সহীহ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পোশাকের আদব খুব সহজভাবে বোঝানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দুই ধরনের পোশাক-পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছেন। একটি হলো এক কাঁধ খোলা রেখে একই চাদর গোটা শরীরে জড়িয়ে নেওয়া। অন্যটি হলো একই কাপড়ে পেট, উরু ও পায়ের গোছা ঢেকে নিতম্ব মাটিতে রেখে দু’ হাঁটু উঁচু করে বসা, অথচ লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোনো অংশ না থাকা। এই শিক্ষা আমাদের বলে, পোশাকের বাহ্যিক ধরন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তা শরীরকে ঠিকভাবে ঢাকছে কি না সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। এক কাপড়ে ইহতিবা বা ইশতিমালুস সাম্মার মতো পদ্ধতিতে অসতর্কতা তৈরি হতে পারে। তাই কাপড় পরা ও বসার সময় শালীনতা বজায় রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পোশাকের ধরনে শালীনতা বজায় রাখা উচিত।
- লজ্জাস্থান ঢাকার বিষয়ে অসতর্কতা করা ঠিক নয়।
- এক কাপড়ে বসার সময় আবরণ ঠিক আছে কি না খেয়াল করা দরকার।
- ইসলামে পোশাক শুধু সাজ নয়, আদবের অংশও।
