৩১/৪৪. অধ্যায়ঃ
কুষ্ঠরোগ
কুষ্ঠরোগীর সঙ্গে সম্মান রেখে সতর্ক আচরণের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৪৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৪৪
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ آلِ الشَّرِيدِ يُقَالُ لَهُ عَمْرٌو عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ فِي وَفْدِ ثَقِيفٍ رَجُلٌ مَجْذُومٌ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ارْجِعْ فَقَدْ بَايَعْنَاكَ " .
শারীদ বিন সুওয়ায়দ (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
সাক্বীফ গোত্রের প্রতিনিধি দলে এক কুষ্ঠরোগী ছিল। নবী (ﷺ) তার নিকট লোক পাঠিয়ে বলেনঃ তুমি ফিরে যাও, আমি তোমার বাইয়াত করেছি।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাক্বীফ গোত্রের প্রতিনিধি দলে একজন কুষ্ঠরোগী থাকার কথা এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) তার কাছে লোক পাঠিয়ে বলেন, তুমি ফিরে যাও, আমি তোমার বাইয়াত করেছি। এখানে রোগীর সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করা হয়নি; বরং তার বাইয়াত গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরাসরি কাছে আসার প্রয়োজন ছাড়াই কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে রোগীর মর্যাদা রক্ষা এবং সতর্ক ব্যবহারের সুন্দর শিক্ষা পাওয়া যায়। ইসলামে রোগীর প্রতি দূরত্ব মানেই ঘৃণা নয়। বরং কখনো কখনো ক্ষতি কমানোর জন্য ভদ্র ও সম্মানজনক সতর্কতা নেওয়া হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগীর সঙ্গে সতর্ক আচরণ করলেও তাকে অপমান করা যাবে না।
- দূর থেকেও সম্মান ও প্রয়োজনীয় সম্পর্ক রক্ষা করা যায়।
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) কুষ্ঠরোগী ব্যক্তির বাইয়াত গ্রহণ করেছেন।
- সতর্কতা ও মানবিকতা একসঙ্গে রাখা ইসলামী আদব।
