১/২৭. অধ্যায়ঃ
পেশাবরত ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া প্রসঙ্গে
পেশাবরত অবস্থায় সালামের উত্তর না দেওয়া: শৌচের আদব
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৩
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، وَالْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي السَّرِيِّ الْعَسْقَلاَنِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ مَرَّ رَجُلٌ عَلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَهُوَ يَبُولُ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ .
ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিল, তখন তিনি পেশাবরত ছিলেন। সে তাঁকে সালাম করলে তিনি তার সালামের উত্তর দেননি।
[৩৫১] তিরমিযী ৯০, ২৭২০। তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবূ দাউদ ১২, ১৩, ইরওয়াহ ৫৪। উক্ত হাদিসের রাবী হুসায়ন বিন আবু সারিয়্যী আল আসকালানী সম্পর্কে ইবনু হিব্বান তাকে সিকাহ বললেও অন্যত্র বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তখন তিনি পেশাবরত ছিলেন। লোকটি সালাম করলে তিনি তার সালামের উত্তর দেননি। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শৌচের আদব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দেখা যায়, প্রাকৃতিক প্রয়োজনের সময় কথাবার্তা বা উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকা হয়েছে। সালাম নিজেই সম্মানের কথা, কিন্তু সে সালামও এমন সময়ে দেওয়া উচিত নয়, যখন উত্তর দেওয়া কঠিন বা অনুচিত হতে পারে। এই হাদিস পেশাবরত অবস্থায় সালাম, শৌচের সময় নীরবতা এবং ব্যক্তিগত অবস্থার প্রতি সম্মান—এসব বিষয় শেখায়। আমাদেরও এমন অবস্থায় কাউকে অস্বস্তিতে না ফেলাই ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পেশাবরত অবস্থায় নবীজি সালামের উত্তর দেননি।
- শৌচের সময় নীরবতা রক্ষা করা আদবের অংশ।
- সালাম দেওয়ার ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি বুঝতে হয়।
- কারও ব্যক্তিগত অবস্থার প্রতি সম্মান রাখা উচিত।
