৩১/৩৮. অধ্যায়ঃ
তাবিজ-তুমার ও ঝাড়ফুঁক
রুকইয়ায় ফুঁ দেওয়া: নবীজির সংক্ষিপ্ত আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫২৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫২৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ الرَّقِّيُّ، وَسَهْلُ بْنُ أَبِي سَهْلٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يَنْفِثُ فِي الرُّقْيَةِ .
আয়িশাহ (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) কিছু পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু রুকইয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক জানায়। আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) রুকইয়ার সময় কিছু পড়ে ফুঁ দিতেন। এখানে কোন নির্দিষ্ট দোয়া এই বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়নি, তাই ব্যাখ্যায় কোনো নির্দিষ্ট দোয়া জুড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। তবে এতটুকু পরিষ্কার, নবীজির ঝাড়ফুঁকে পড়া এবং ফুঁ দেওয়ার আমল ছিল। রুকইয়া শরইয়াহ বা নবীজির রুকইয়া নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস একটি সংক্ষিপ্ত ভিত্তি দেয়। এর সঙ্গে অন্য হাদিসে নির্দিষ্ট দোয়া ও সূরা পড়ার বিবরণ এসেছে, কিন্তু এই হাদিসের নিজস্ব বক্তব্য হলো—রুকইয়ার সময় নবীজি ফুঁ দিতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি রুকইয়ার সময় পড়ে ফুঁ দিতেন।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস হলেও রুকইয়ার একটি পদ্ধতি বোঝায়।
- এই বর্ণনায় নির্দিষ্ট দোয়ার নাম নেই, তাই বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
- নববী আমল বুঝতে হাদিসের ভাষার সীমা মানা দরকার।
