৩১/৩৪. অধ্যায়ঃ
জায়েয ঝাড়ফুঁক সম্পর্কে ।
বিষাক্ত দংশন, বদনজর ও ফুসকুড়িতে রুকইয়ার অনুমতি
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫১৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫১৬
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ رَخَّصَ فِي الرُّقْيَةِ مِنَ الْحُمَةِ وَالْعَيْنِ وَالنَّمْلَةِ .
আনাস (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বিষাক্ত প্রাণীর দংশন, বদনজর ও ব্রণ-ফুসকুড়ি সারাতে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) বিষাক্ত প্রাণীর দংশন, বদনজর এবং ব্রণ-ফুসকুড়ি সারাতে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। এখানে তিনটি বিষয় স্পষ্টভাবে এসেছে: হুমাহ বা বিষাক্ত দংশন, আল-আইন বা বদনজর এবং নামলাহ বা ব্রণ-ফুসকুড়ি। তাই এই হাদিস রুকইয়ার অনুমতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তবে হাদিসে কোনো নির্দিষ্ট মন্ত্র বা দোয়ার শব্দ দেওয়া হয়নি। তাই ব্যাখ্যার সময় এটিকে শুধু অনুমতির বর্ণনা হিসেবে রাখা উচিত। রুকইয়া, ঝাড়ফুঁক, বদনজর, বিষাক্ত দংশন এবং ফুসকুড়ি—এসব বিষয় ব্যবহারকারীরা বেশি খোঁজে। হাদিসটি শেখায়, অনুমোদিত সীমার মধ্যে থেকে চিকিৎসা ও দোয়ার পথ নেওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিষাক্ত দংশন, বদনজর ও ফুসকুড়িতে রুকইয়ার অনুমতি এসেছে।
- হাদিসে নির্দিষ্ট তিনটি ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে।
- রুকইয়া করতে হলে অনুমোদিত সীমা মানা দরকার।
- চিকিৎসা ও দোয়ার ক্ষেত্রে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ অনুসরণ করা উচিত।
