৩১/৩৪. অধ্যায়ঃ
জায়েয ঝাড়ফুঁক সম্পর্কে ।
রুকইয়া কোন ক্ষেত্রে: বদনজর ও বিষাক্ত দংশনের হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫১৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫১৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الرَّازِيِّ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ بُرَيْدَةَ بْنِ الْحُصَيْبِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ رُقْيَةَ إِلاَّ مِنْ عَيْنٍ أَوْ حُمَةٍ " .
বুরায়দাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, বদনজর ও বিষাক্ত প্রাণীর দংশন ছাড়া অন্য কিছুতে ঝাড়ফুঁক বৈধ নয়।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, “বদনজর ও বিষাক্ত প্রাণীর দংশন ছাড়া অন্য কিছুতে ঝাড়ফুঁক বৈধ নয়।” এখানে রুকইয়ার ক্ষেত্রকে খুব সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে। বদনজর এবং হুমাহ বা বিষাক্ত দংশনের কথা এসেছে। তাই এই হাদিসের আলোচনায় বৈধ ঝাড়ফুঁক, বদনজর, সাপ-বিচ্ছার মতো বিষাক্ত দংশন—এসব বিষয় স্বাভাবিকভাবে আসে। তবে হাদিসে নির্দিষ্ট কোনো দোয়ার শব্দ নেই, তাই তা যোগ করা উচিত নয়। মুমিনের জন্য মূল শিক্ষা হলো, কষ্ট বা ক্ষতির সময় এমন পদ্ধতি বেছে নেওয়া, যা নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশের সঙ্গে মিলে। রুকইয়া কোনো খেলাধুলার বিষয় নয়; এটি বিশ্বাস, সতর্কতা ও শরিয়তের সীমার সঙ্গে সম্পর্কিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকইয়ার ক্ষেত্রে বদনজর ও বিষাক্ত দংশনের কথা স্পষ্ট এসেছে।
- ঝাড়ফুঁক করতে হলে শরিয়তের সীমা বুঝে করা দরকার।
- নির্দিষ্ট দোয়া না থাকলে নিজের থেকে শব্দ বানিয়ে হাদিসের নামে বলা ঠিক নয়।
- ক্ষতির সময় নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশিত পথকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
