৩১/৩৩. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি বদনজরের ঝাড়ফুঁক করে
বদনজরের জন্য ঝাড়ফুঁক: জাফরের সন্তানদের ঘটনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫১০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫১০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ عَامِرٍ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ رِفَاعَةَ الزُّرَقِيِّ، قَالَ قَالَتْ أَسْمَاءُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ بَنِي جَعْفَرٍ تُصِيبُهُمُ الْعَيْنُ فَأَسْتَرْقِي لَهُمْ قَالَ " نَعَمْ فَلَوْ كَانَ شَىْءٌ سَابَقَ الْقَدَرَ سَبَقَتْهُ الْعَيْنُ " .
উবায়দ বিন রিফায়াহ আয-যুরাকী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আসমা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! জাফরের সন্তানদের বদনজর লেগেছে, আপনি তাদের ঝাড়ফুঁক করুন। তিনি বলেন: আচ্ছা। যদি কোন কিছু তাকদীরকে পরাভূত করতে পারতো, তবে বদনজরই তাকে পরাভূত করতো।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আসমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বলেন যে জাফরের সন্তানদের বদনজর লেগেছে, তাই তিনি তাদের জন্য ঝাড়ফুঁক করতে চান। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বলেন, “আচ্ছা।” এরপর তিনি বলেন, যদি কোনো কিছু তাকদীরকে পরাভূত করতে পারত, তবে বদনজরই তা করত। এখানে বদনজরের শক্ত প্রভাবের কথা এসেছে, তবে একই সঙ্গে তাকদীরের বিষয়ও এসেছে। হাদিসটি বদনজরের জন্য রুকইয়া বা ঝাড়ফুঁকের অনুমতি দেখায়। তবে এখানে নির্দিষ্ট কোনো দোয়ার শব্দ দেওয়া হয়নি। তাই এই বর্ণনা থেকে মূল শিক্ষা হলো—বদনজরকে বাস্তব মনে করা, বৈধ ঝাড়ফুঁক করা এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর বিশ্বাস রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বদনজরের জন্য ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি এই হাদিসে এসেছে।
- বদনজরের প্রভাবকে নবীজি (صلى الله عليه وسلم) গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেছেন।
- তাকদীরের বিষয়ে মুমিনের বিশ্বাস অটুট থাকা দরকার।
- রোগ বা কষ্টে অনুমোদিত পদ্ধতিতে সাহায্য নেওয়া যায়।
