৩১/২৫. অধ্যায়ঃ
ইসমিদ পাথরের সুরমা ব্যবহার
ঘুমানোর সময় ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করার হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৪৯৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৪৯৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ " عَلَيْكُمْ بِالإِثْمِدِ عِنْدَ النَّوْمِ فَإِنَّهُ يَجْلُو الْبَصَرَ وَيُنْبِتُ الشَّعَرَ " .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: তোমরা ঘুমানোর সময় অবশ্যই ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করবে। কেননা তা দৃষ্টিশক্তিকে প্রখর করে এবং চোখের পাতায় লোম গজায়।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বলতে শুনেছেন—ঘুমানোর সময় অবশ্যই ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করো। কারণ এটি দৃষ্টিশক্তিকে প্রখর করে এবং চোখের পাতায় লোম গজায়। এখানে সময় হিসেবে ঘুমানোর আগে বা ঘুমানোর সময়ের কথা এসেছে। তাই সুরমা ব্যবহার সুন্নাহ, ইসমিদ সুরমা এবং ঘুমানোর আগে সুরমা—এই তিনটি মূল কীওয়ার্ড এই হাদিসের সঙ্গে সরাসরি মেলে। ব্যাখ্যায় মনে রাখা দরকার, হাদিসটি ইসমিদ সুরমা নিয়ে, সব ধরনের প্রসাধনী বা সাধারণ কাজল নিয়ে নয়। হাদিসের বক্তব্যকে চোখের সব সমস্যার পূর্ণ চিকিৎসা হিসেবে বাড়িয়ে বলা ঠিক হবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুমানোর সময় ইসমিদ সুরমা ব্যবহারের নির্দেশনা এসেছে।
- দৃষ্টিশক্তি প্রখর করা ও চোখের পাতায় লোম গজানোর কথা বলা হয়েছে।
- ইসমিদ সুরমা আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।
- হাদিসে না থাকা অতিরিক্ত চিকিৎসা-দাবি যোগ করা উচিত নয়।
