৩১/২৩. অধ্যায়ঃ
লোহা দ্বারা দগ্ধ করা
তিন জিনিসে রোগমুক্তি: মধু, রক্তমোক্ষণ ও দাগের নিষেধ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৪৯১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৪৯১
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ شُجَاعٍ، حَدَّثَنَا سَالِمٌ الأَفْطَسُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ " الشِّفَاءُ فِي ثَلاَثٍ شَرْبَةِ عَسَلٍ وَشَرْطَةِ مِحْجَمٍ وَكَيَّةٍ بِنَارٍ وَأَنْهَى أُمَّتِي عَنِ الْكَىِّ " . رَفَعَهُ .
ইবনু আব্বাস (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
তিন জিনিসে রোগমুক্তি নিহিত: মধুপানে, রক্তমোক্ষণে এবং তপ্ত লোহার দাগ গ্রহণে। তবে আমার উম্মতকে আমি তপ্ত লোহার দাগ গ্রহণ করতে বারণ করেছি। ইবন আব্বাস (রাঃ) হাদীসটি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিন জিনিসে রোগমুক্তি নিহিত—মধুপান, রক্তমোক্ষণ এবং তপ্ত লোহার দাগ গ্রহণ। তবে একই বর্ণনায় এসেছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁর উম্মতকে তপ্ত লোহার দাগ গ্রহণ করতে বারণ করেছেন। তাই হাদিসটি খুব ভারসাম্যপূর্ণ। একদিকে রোগমুক্তির কিছু মাধ্যমের কথা বলা হয়েছে, অন্যদিকে দাগ নেওয়ার ব্যাপারে নিষেধও এসেছে। হিজামা হাদিস, মধুর চিকিৎসা হাদিস এবং কাই বা গরম লোহার দাগের নিষেধ—এই তিন বিষয় একসাথে বুঝতে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাখ্যার সময় মনে রাখতে হবে, হাদিসে তিনটি মাধ্যমের কথা এসেছে, কিন্তু সব রোগের সম্পূর্ণ চিকিৎসা-তালিকা দেওয়া হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে মধুপান ও রক্তমোক্ষণকে রোগমুক্তির মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- তপ্ত লোহার দাগের কথাও এসেছে, তবে উম্মতকে তা থেকে বারণ করা হয়েছে।
- একই হাদিসে চিকিৎসা ও সতর্কতা দুটোই আছে।
- হাদিসের বক্তব্যকে সব রোগের চূড়ান্ত তালিকা হিসেবে বাড়িয়ে বলা ঠিক নয়।
