৩১/২৩. অধ্যায়ঃ
লোহা দ্বারা দগ্ধ করা
উত্তপ্ত লোহা দিয়ে দাগ দেওয়া: নববী নিষেধ ও সতর্কতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৪৯০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৪৯০
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، وَيُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الْكَىِّ فَاكْتَوَيْتُ فَمَا أَفْلَحْتُ وَلاَ أَنْجَحْتُ .
ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উত্তপ্ত লোহা দ্বারা দাগ দিতে নিষেধ করেছেন। রাবী বলেন, আমি উত্তপ্ত লোহার দাগ লাগালে ব্যর্থতা ও বিফলতা ছাড়া আর কিছুই পাইনি।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইমরান ইবনুল হুসাইন (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) উত্তপ্ত লোহা দ্বারা দাগ দিতে নিষেধ করেছেন। এরপর রাবি নিজের অভিজ্ঞতা হিসেবে বলেন, তিনি উত্তপ্ত লোহার দাগ লাগালে ব্যর্থতা ও বিফলতা ছাড়া আর কিছু পাননি। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, চিকিৎসার নামে এমন পদ্ধতির বিষয়ে সতর্ক থাকা, যেটি নবী (صلى الله عليه وسلم) নিষেধ করেছেন। এখানে গরম লোহার দাগ, কাই চিকিৎসা এবং নববী সতর্কতা—এই বিষয়গুলো স্পষ্ট। তবে এই হাদিসকে ধরে সব চিকিৎসা বর্জন করা বলা হয়নি। বরং নির্দিষ্টভাবে উত্তপ্ত লোহার দাগের কথা এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় সেই সীমা রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) উত্তপ্ত লোহা দিয়ে দাগ দিতে নিষেধ করেছেন।
- রাবির অভিজ্ঞতায় এই পদ্ধতিতে উপকারের বদলে ব্যর্থতার কথা এসেছে।
- চিকিৎসার ক্ষেত্রে নববী নির্দেশনা ও সতর্কতা গুরুত্বের বিষয়।
- হাদিসে নির্দিষ্ট পদ্ধতির কথা এসেছে, সব চিকিৎসা নয়।
