১/২৬. অধ্যায়ঃ
পেশাবের সময় সাবধানতা অবলম্বন করা
পেশাব ও গীবত: কবরের শাস্তির ভয় জাগানো শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৪৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৪৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ شَيْبَانَ، حَدَّثَنِي بَحْرُ بْنُ مَرَّارٍ، عَنْ جَدِّهِ أَبِي بَكْرَةَ، قَالَ مَرَّ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِقَبْرَيْنِ فَقَالَ " إِنَّهُمَا لَيُعَذَّبَانِ وَمَا يُعَذَّبَانِ فِي كَبِيرٍ أَمَّا أَحَدُهُمَا فَيُعَذَّبُ فِي الْبَوْلِ وَأَمَّا الآخَرُ فَيُعَذَّبُ فِي الْغِيبَةِ " .
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (ﷺ) দুইটি কবর অতিক্রম করার সময় বলেন, নিশ্চয়ই এই দুই কবরবাসীকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং তাদেরকে কোনো কঠিন অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। এদের একজনকে পেশাবের (অসতর্কতার) কারণে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং অপরজনকে গীবত করার কারণে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।
[৩৪৭] আহমাদ ১৯৮৬০ তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) দুইটি কবর অতিক্রম করার সময় বলেন, দুই কবরবাসীকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, একজনকে পেশাবের অসতর্কতার কারণে এবং অপরজনকে গীবতের কারণে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। এখানে দুটি বিষয় খুব পরিষ্কার: শরীর-পরিচ্ছন্নতার অবহেলা এবং মানুষের সম্মান নষ্টকারী কথা—দুটিই বিপজ্জনক। হাদিসটি আমাদের শুধু পেশাব থেকে সতর্ক হতে বলে না; ভাষা ব্যবহারের ব্যাপারেও সচেতন করে। গীবত অনেক সময় কথার ভেতরে সহজে ঢুকে যায়, আর পেশাবের অপবিত্রতাও অমনোযোগে থেকে যেতে পারে। তাই পেশাবের সতর্কতা, গীবত, কবরের আজাব এবং পবিত্রতা—এই হাদিসের প্রধান বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পেশাবের অসতর্কতা শাস্তির কারণ হিসেবে এসেছে।
- গীবত করা কবরের শাস্তির সঙ্গে উল্লেখিত হয়েছে।
- শরীরের পবিত্রতা ও জিহ্বার সংযম দুটোই জরুরি।
- মানুষের সম্মান নষ্ট করে এমন কথা থেকে দূরে থাকা উচিত।
