৩০/২০. অধ্যায়ঃ
মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করা
পানির মশক ব্যবহারের আদব: মুখ লাগিয়ে পান না করা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৪২১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৪২১
حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ أَبُو بِشْرٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَهَى أَنْ يُشْرَبَ مِنْ فَمِ السِّقَاءِ .
ইবনু আব্বাস (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।[৩৪২১] সহীহুল বুখারী ৫৬২৯, তিরমিযী ১৮২৫, নাসায়ী ৪৪৪৮, আবূ দাউদ ৩৭১৯, আহমাদ ১৯৯০, ২১৬২, ২৬৬৬, ২৯৪৪, ৩১৩২, দারেমী ২১১৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪২১-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: পানপাত্রের আদব। এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মশকের মুখ থেকে সরাসরি পান করতে নিষেধ করেছেন। আগের বর্ণনার মতোই এখানে একই শিক্ষা আরও স্পষ্টভাবে এসেছে। পান করার সময় পাত্রের মুখে সরাসরি মুখ লাগানো এমন একটি অভ্যাস, যা অন্য ব্যবহারকারীর জন্য অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। তাই পানির মশক বা পানি রাখার পাত্র ব্যবহারে সতর্কতা দরকার। এই হাদিস থেকে পান করার নববী আদব, পানি পানের নিয়ম এবং পরিচ্ছন্ন আচরণের গুরুত্ব বোঝা যায়। ইসলাম শুধু বড় ইবাদত নয়, দৈনন্দিন কাজের ভদ্রতাও শেখায়। পানি পান করা প্রতিদিনের কাজ, কিন্তু তাতেও নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ মানলে জীবন আরও পরিপাটি ও সুন্দর হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- একই পাত্র অন্যরা ব্যবহার করতে পারে—এই বিষয়টি মনে রাখা দরকার।
- পান করার আদব দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধ মানা ছোট কাজেও ঈমানি সংবেদনশীলতা শেখায়।
