৩০/৭. অধ্যায়ঃ
শরাবের ব্যবসা
শরাবের ব্যবসা হারাম: হালাল আয়ের পথে থাকার নবী শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৩৮২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৩৮২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَمَّا نَزَلَتِ الآيَاتُ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي الرِّبَا خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَحَرَّمَ التِّجَارَةَ فِي الْخَمْرِ .
আয়িশাহ (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
যখন সুদ সম্পর্কিত সূরা বাকারা’র শেষ আয়াতগুলো নাযিল হয়, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বাইরে বের হয়ে আসেন এবং শরাবের ব্যবসা নিষিদ্ধ (হারাম) ঘোষণা করেন।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ[৩৩৮২] সহীহুল বুখারী ৪৫৯, ২০৮৪, ২২২৬, ৪৫৪০, ৪৫৪১, ৪৫৪২, ৪৫৪৩, মুসলিম ১৫৮০, নাসায়ী ৪৬৬৫, আ৩৪৯০, আহমাদ ২৩৬৭৩, দারেমী ২৫৬৯, ২৫৭০। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৩৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) একটি সরাসরি ঘটনা বর্ণনা করেছেন। যখন সূরা বাকারা’র শেষ দিকের সুদ সম্পর্কিত আয়াতগুলো নাযিল হয়, তখন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বাইরে এসে শরাবের ব্যবসা হারাম ঘোষণা করেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, শরাব শুধু পান করার বিষয় নয়; তার ব্যবসা থেকেও দূরে থাকতে হবে। একজন মানুষ মদ পান না করলেও যদি তার ব্যবসা, লাভ বা লেনদেন মদের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে হাদিসটি তাকে সতর্ক করে। হালাল আয়ের গুরুত্ব এখানে খুব পরিষ্কার। শরাবের ব্যবসা হারাম বলা মানে এমন আয়ের দরজা বন্ধ করা, যা মানুষকে হারাম জিনিসের বাজারে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শরাব পান না করলেও তার ব্যবসা থেকে দূরে থাকা জরুরি।
- হালাল আয় রক্ষার জন্য পণ্যের ধরন ও লেনদেন যাচাই করা দরকার।
- হারাম জিনিসের বাজার চালু রাখতে সাহায্য করা মুমিনের কাজ নয়।
- নবীজি শরাবের ব্যবসা সরাসরি হারাম ঘোষণা করেছেন।
