২৯/৩৮. অধ্যায়ঃ
খেজুর
ঘরে খেজুর রাখা: খাবার ও রিজিকের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৩২৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৩২৭
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِيِّ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " بَيْتٌ لاَ تَمْرَ فِيهِ جِيَاعٌ أَهْلُهُ " .
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ঘরে খেজুর নাই সে ঘরের বাসিন্দারা অভুক্ত।
[৩৩২৭] মুসলিম ২০৪৬, তিরমিযী ১৮১৫, আবূ দাউদ ৩৮৩১, দারেমী ২০৬০, ২০৬১, সহীহাহ ১৭৭৬। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৩২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ঘরে খেজুর নেই সে ঘরের বাসিন্দারা অভুক্ত। বাক্যটি খেজুরের গুরুত্বকে খুব জোরালোভাবে তুলে ধরে। নবীজির যুগে খেজুর ছিল পরিচিত খাদ্য, সহজ রিজিক এবং ঘরের খাবারের অংশ। তাই এই হাদিসে খেজুরকে ঘরের খাদ্যভান্ডারের সঙ্গে যুক্ত করে বলা হয়েছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, পরিবারের জন্য উপকারী খাদ্য রাখা এবং আল্লাহর দেওয়া সহজ রিজিককে গুরুত্ব দেওয়া। তবে এর অর্থ এই নয় যে খেজুর ছাড়া অন্য সব খাবার অগ্রহণযোগ্য। হাদিসে খেজুরের বিশেষ মর্যাদা ও উপযোগিতার দিকে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। খেজুরের হাদিস, ঘরে খেজুর রাখা এবং নববী খাদ্যাভ্যাস বুঝতে এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘরে খেজুর থাকার গুরুত্ব হাদিসে জোর দিয়ে বলা হয়েছে।
- পরিবারের জন্য খাদ্য সংরক্ষণের শিক্ষা এতে আছে।
- খেজুর নবীজির যুগে গুরুত্বপূর্ণ খাবার ছিল।
- হাদিসের বক্তব্যকে ভারসাম্য রেখে বুঝতে হবে।
