২৮/১৯. অধ্যায়ঃ

কাক

কাক খাওয়া সম্পর্কে হাদিস: ‘ফাসিক’ নামের শিক্ষা

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩২৪৮

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الأَزْهَرِ النَّيْسَابُورِيُّ، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ جَمِيلٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ مَنْ يَأْكُلُ الْغُرَابَ وَقَدْ سَمَّاهُ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ فَاسِقًا ‏"‏ ‏.‏ وَاللَّهِ مَا هُوَ مِنَ الطَّيِّبَاتِ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, কোন লোক কাক খায়? অথচ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার নাম রেখেছেন, “ফাসিক” (নিকৃষ্ট প্রাণী)। আল্লাহর শপথ! তা পবিত্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত নয়।

[৩২৪৮] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। সহীহাহ ১৮২৫। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩২৪৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু উমার (রাঃ) প্রশ্নের ভঙ্গিতে বলেন, কোন লোক কাক খায়? অথচ রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তার নাম রেখেছেন ‘ফাসিক’। তিনি শপথ করে বলেন, তা পবিত্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত নয়। এখানে কাক খাওয়া, কাক ফাসিক হাদিস, ক্ষতিকর প্রাণী—এসব বিষয় সামনে আসে। হাদিসটি সরাসরি রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর নামকরণকে ভিত্তি করে কাক খাওয়ার ব্যাপারে অপছন্দ ও বারণের অর্থ প্রকাশ করে। তবে এখানে সাপ, বিছা বা অন্য প্রাণীর আলোচনা নেই; শুধু কাক নিয়ে কথা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় কাকের বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকা ভালো। খাদ্যবিধিতে সব প্রাণী একই নয়; কিছু প্রাণী সম্পর্কে নববী ভাষা সতর্কতা তৈরি করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কাক সম্পর্কে রাসূল صلى الله عليه وسلم ‘ফাসিক’ শব্দ ব্যবহার করেছেন।
  • ইবনু উমার (রাঃ) কাককে পবিত্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত মনে করেননি।
  • খাদ্য হিসেবে প্রাণী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে নববী নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ।
  • হাদিসে যে প্রাণীর কথা এসেছে, ব্যাখ্যায় সেটিকেই কেন্দ্র করা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন