২৭/৮. অধ্যায়ঃ
স্ত্রীলোকের যবেহকৃত পশুর বিধান
ধারালো পাথর দিয়ে যবেহ: যবেহের বিধান সম্পর্কে সহজ শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩১৮২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩১৮২
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنٍ لِكَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ امْرَأَةً، ذَبَحَتْ شَاةً بِحَجَرٍ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَلَمْ يَرَ بِهِ بَأْسًا .
কা‘ব বিন মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক স্ত্রীলোক ধারালো পাথরের সাহায্যে একটি ছাগল যবেহ করলো। তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জানানো হলে তিনি তা দূষণীয় মনে করেননি।
৩১৮২. সহীহুল বুখারী ২৩০৪, ৫৫০১, ৫৫০২, ৫৫০৪, ৫৫০৫। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩১৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, এক স্ত্রীলোক ধারালো পাথরের সাহায্যে একটি ছাগল যবেহ করেছিলেন। বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে জানানো হলে তিনি তা দূষণীয় বা আপত্তিকর মনে করেননি। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, যবেহের ক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো এমন কিছু ব্যবহার করা, যা যবেহের কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। এখানে হাদিসের ভাষায় ধারালো পাথরের কথা এসেছে; তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কোনো দাবি না করে বলা যায়, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ওই কাজকে নাকচ করেননি। যবেহের বিধান নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন থাকে—ছুরি ছাড়া কী হবে, ধারালো বস্তু হলে কী হবে। এই হাদিস সেই প্রশ্নের একটি সরল উত্তর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যবেহের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত জিনিসটি কার্যকর ও ধারালো হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
- নারীর করা যবেহকে এই বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আপত্তিকর মনে করেননি।
- ধর্মীয় বিষয়ে অনুমান নয়, বর্ণিত ঘটনার সীমার মধ্যেই কথা বলা উচিত।
