২৭/২. অধ্যায়ঃ
ফারা‘আ ও ‘আতীরা
ফারা ও আতীরা নেই—রজবের যবেহ বিষয়ে হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩১৬৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩১৬৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " لاَ فَرَعَةَ وَلاَ عَتِيرَةَ " . قَالَ هِشَامٌ فِي حَدِيثِهِ وَالْفَرَعَةُ أَوَّلُ النَّتَاجِ . وَالْعَتِيرَةُ الشَّاةُ يَذْبَحُهَا أَهْلُ الْبَيْتِ فِي رَجَبٍ .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ এখন আর ফারা নাই, আতীরাও নাই। হিশাম (রাঃ) তার বর্ণনায় বলেন, ফারা হলো উট বা ছাগল-ভেড়ার প্রথম বাচ্চা। আর আতীরা হলো কোন পরিবারের লোকেরা রজব মাসে যে বকরী যবেহ করে তা।
[৩১৬৮] সহীহুল বুখারী ৫৪৭৩, ৫৪৭৪, মুসলিম ১৯৭৬, তিরমিযী ১৫১২, নাসায়ী ৪২২২, ৪২২৩, আবূ দাউদ ২৮৩১, আহমাদ ৭০৯৫, ৭২১৫, ৭৬৯৩, ৯৯৮৩, দারেমী ১৯৬৪, ইরওয়া ১১৮০, আস-সহীহ ২৫২০, ২৫২১। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩১৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, এখন আর ফারা নেই, আতীরাও নেই। বর্ণনাকারী হিশাম (রাঃ) ব্যাখ্যা করেছেন, ফারা হলো উট বা ছাগল-ভেড়ার প্রথম বাচ্চা, আর আতীরা হলো কোনো পরিবারের লোকেরা রজব মাসে যে বকরী যবেহ করত। তাই হাদিসের মূল বিষয় হলো ফারা ও আতীরা নামে পরিচিত পুরোনো যবেহের প্রথা। এখানে হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যায়ও সংযত থাকা দরকার। শুধু বলা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم এই নামে আলাদা প্রথা হিসেবে ফারা ও আতীরার কথা অস্বীকার করেছেন। যারা রজব মাসে আতীরা, ফারা ও আতীরা নেই, ইসলামে আতীরা আছে কি না—এসব জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ফারা নেই এবং আতীরা নেই।
- ফারা প্রথম বাচ্চা সম্পর্কিত একটি প্রথা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- আতীরা রজব মাসে যবেহ করা বকরী হিসেবে এসেছে।
- পুরোনো প্রথা বোঝার সময় হাদিসের ভাষা মেনে চলা দরকার।
