২৫/৪০. অধ্যায়ঃ
উমরাহ সহ তামাত্তু হজ্জের বর্ণনা
কেয়ামত পর্যন্ত হজ্জের সাথে উমরা: নবীজির ঘোষণার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৯৭৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৯৭৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ سُرَاقَةَ بْنِ جُعْشُمٍ، قَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ خَطِيبًا فِي هَذَا الْوَادِي فَقَالَ " أَلاَ إِنَّ الْعُمْرَةَ قَدْ دَخَلَتْ فِي الْحَجِّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ " .
সুরাকা বিন জু’সুম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভাষণদানের উদ্দেশ্যে এই উপত্যকায় দাঁড়িয়ে বলেনঃ জেনে রাখো! কেয়ামত পর্যন্ত হজ্জের সাথে উমরা আদায় করা যেতে পারে।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।[২৯৭৭] নাসায়ী ২৮০৬, ২৭০৭, আহমাদ ১৭০২, সহীহ আবু দাউদ ১৫৭৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৯৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে বলেন, হজ্জের সাথে উমরা কেয়ামত পর্যন্ত যুক্ত হয়েছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, হজ্জের সাথে উমরা আদায়ের অনুমতি বা বৈধতার ঘোষণা। বর্ণনাটি তামাত্তু ও কিরান হজ্জের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে উমরা ও হজ্জের সম্পর্ক স্পষ্টভাবে এসেছে। তবে হাদিসের ভাষা যতটুকু, ব্যাখ্যাও ততটুকু রাখা উচিত; এখানে বিস্তারিত পদ্ধতি আলাদা করে বলা হয়নি। একজন মুসলিমের জন্য শিক্ষা হলো, হজ্জের আমল বুঝতে নবীজির ঘোষণাকে মূল ভিত্তি ধরা। মানুষের মত বা পছন্দ পরে আসতে পারে, কিন্তু সুন্নাহর স্পষ্ট বর্ণনা আগে দেখা দরকার। তাই এই হাদিস পড়ার সময় আমাদের উচিত ঘটনাটি যেমন এসেছে তেমনভাবে বোঝা, বাড়তি সিদ্ধান্ত না টানা, এবং মূল আমলটি স্পষ্টভাবে মনে রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের সাথে উমরার বিষয়টি কেয়ামত পর্যন্ত থাকার কথা এসেছে।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এটি ভাষণের মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন।
- তামাত্তু ও কিরান আলোচনায় এই বর্ণনা প্রাসঙ্গিক।
- ইবাদতের বিষয়ে নবীজির ঘোষণা মূল ভিত্তি।
