১/৭. অধ্যায়ঃ
মিসওয়াকের বর্ণনা
মিসওয়াকের ফজিলত: প্রতি সালাতের সময় মুখ পরিষ্কারের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৮৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৮৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে তাদেরকে প্রতি ওয়াক্ত সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।”
[২৮৫] বুখারী ৮৮৭, ৭২৪০; মুসলিম ২৫২, তিরমিযী ২২, নাসায়ী ৭, আবূ দাঊদ ৪৬, আহমাদ ৭২৯৪, ৭৩৬৪, ৭৪৫৭, ৭৭৯৪, ৮৯২৮, ৮৯৪১, ৯২৬৪, ৯৩০৮, ৯৬১২, ১০২৪০, ১০৩১৮, ১০৪৮৭; মুওয়াত্ত্বা মালিক ১৪৭, ১৪৮; দারিমী ৬৮৩, ১৪৮৪। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াহ ৭০।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মিসওয়াকের গুরুত্ব খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তিনি যদি তাঁর উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতেন, তাহলে প্রতি ওয়াক্ত সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। এখানে নবীজির দয়া ও সহজ করার মনোভাবও দেখা যায়। তিনি মিসওয়াককে গুরুত্ব দিয়েছেন, কিন্তু উম্মতের কষ্টের কথা ভেবে বাধ্যতামূলক নির্দেশ দেননি। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, সালাতের আগে মুখ পরিষ্কার রাখা পছন্দনীয় কাজ। মিসওয়াকের মাধ্যমে মুখ পবিত্র হয় এবং সালাতের জন্য সুন্দর প্রস্তুতি নেওয়া যায়। একই সাথে হাদিসটি শেখায়, ইসলামে আমলের গুরুত্ব আছে, আবার মানুষের সামর্থ্য ও কষ্টের দিকও বিবেচনায় রাখা হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রতি সালাতের সময় মিসওয়াকের গুরুত্ব হাদিসে স্পষ্ট হয়েছে।
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) উম্মতের কষ্টের কথা বিবেচনা করেছেন।
- সালাতের আগে মুখ পরিষ্কার রাখা উত্তম প্রস্তুতি।
- ইবাদতে পরিচ্ছন্নতা ও সহজতার শিক্ষা একসাথে পাওয়া যায়।
