১/৬. অধ্যায়ঃ

পবিত্রতা অর্জনের প্রতিফল

নবীজির মতো ওজু: গুনাহ মাফের আশা ও সতর্কতার শিক্ষা

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৮৫

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي شَقِيقُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي حُمْرَانُ، مَوْلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ قَالَ رَأَيْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ قَاعِدًا فِي الْمَقَاعِدِ فَدَعَا بِوَضُوءٍ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي مَقْعَدِي هَذَا تَوَضَّأَ مِثْلَ وُضُوئِي هَذَا ثُمَّ قَالَ ‏"‏ مَنْ تَوَضَّأَ مِثْلَ وُضُوئِي هَذَا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ وَلاَ تَغْتَرُّوا ‏"‏ ‏.‏حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي عِيسَى بْنُ طَلْحَةَ، حَدَّثَنِي حُمْرَانُ، عَنْ عُثْمَانَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَحْوَهُ ‏.‏

উসমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)-এর মুক্তদাস হুমরান হতে বর্ণিতঃ

আমি উসমান বিন আফফান (রাঃ)-কে এক স্থানে উপবিষ্ট দেখলাম। তিনি ওজুর পানি নিয়ে ডাকলেন এবং ওজু করলেন, অতঃপর বলেন, “আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমার এ স্থানে বসে আমার ন্যায় ওজু করতে দেখেছি।” অতঃপর তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি আমার উযুর ন্যায় উযু করবে, তার পূর্বেকার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।” রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আরো বলেছেন, “কিন্তু তোমরা তাতে আত্মতুষ্টির ধোঁকায় পড়ো না।” উসমান (রাঃ), নবী (ﷺ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।[২৮৩] বুখারী ১৬০, ১৬৪; মুসলিম ২২৬/১-২, ২২৯; নাসায়ী ৮৪, ৮৫, ১১৬; আবূ দাঊদ ১০৬, ১০৮, ১১০; আহমাদ ৪২০, ৪৬১, ৪৭৪, ৪৯১; মুওয়াত্ত্বা মালিক ৬১, দারিমী ৬৯৩। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৮৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর ওজুর পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এসেছে। তিনি ওজু করে বললেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে তাঁর মতো ওজু করতে দেখেছেন। এরপর বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি এই ওজুর মতো ওজু করবে, তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। তবে হাদিসের শেষে একটি বড় সতর্কতা আছে: “তোমরা তাতে আত্মতুষ্টির ধোঁকায় পড়ো না।” অর্থাৎ গুনাহ মাফের আশা থাকলেও মানুষ যেন আমলের উপর ভর করে নিজেকে নিরাপদ মনে না করে। ওজুর ফজিলত বড়, কিন্তু বিনয়, সতর্কতা ও আল্লাহর প্রতি নির্ভরতা ধরে রাখা জরুরি। এই হাদিস আমাদের সুন্দর ওজু এবং আত্মশুদ্ধি—দুই দিকেই মনোযোগী করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর মতো ওজু করার বড় ফজিলত আছে।
  • ওজুর মাধ্যমে পূর্বের গুনাহ মাফের আশা করা যায়।
  • নেক আমল করেও আত্মতুষ্টির ধোঁকায় পড়া উচিত নয়।
  • ওজুর সাথে বিনয় ও আল্লাহভীতিও ধরে রাখা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন