২৩/৩. অধ্যায়ঃ
দাদার ওয়ারিসী স্বত্ব
দাদাকে এক-ষষ্ঠাংশ দেওয়ার হাদিস: মীরাসের সংক্ষিপ্ত শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৭২৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৭২৩
قَالَ أَبُو الْحَسَنِ الْقَطَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ الطَّبَّاعِ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي جَدٍّ كَانَ فِينَا بِالسُّدُسِ .
মা‘কিল বিন ইয়াসার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের মধ্যেকার দাদাকে এক-ষষ্ঠাংশ ওয়ারিসি স্বত্ব প্রদানের নির্দেশ দিলেন।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।[২৭২৩] আবূ দাউদ ২৮৯৭, সহীহ আবু দাউদ ২৫৭৬। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৭২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁদের মধ্যকার এক দাদাকে এক-ষষ্ঠাংশ ওয়ারিসী স্বত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এখানে শুধু দাদার অংশ নিয়ে মূল তথ্যটি এসেছে। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, মীরাসের ক্ষেত্রে দাদার অধিকারকে উপেক্ষা করা যায় না। নির্দিষ্ট অবস্থায় দাদা উত্তরাধিকারী হিসেবে অংশ পান। একই সঙ্গে এই হাদিস আমাদের সতর্ক করে যে, উত্তরাধিকার বণ্টন নিজের ইচ্ছামতো করা যায় না। যে অংশ নববী ফয়সালায় নির্ধারিত হয়েছে, তা সম্মান করা দরকার। মীরাসের হিসাব অনেক সময় সহজ মনে হলেও বাস্তবে তা জ্ঞান ও সতর্কতা চায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাদার জন্য মীরাসে নির্দিষ্ট অংশ থাকতে পারে।
- এক-ষষ্ঠাংশের ফয়সালা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ হিসেবে এসেছে।
- উত্তরাধিকার বণ্টনে আত্মীয়ের হক বাদ দেওয়া উচিত নয়।
- ফারায়েজের বিষয় বুঝে শুনে ফয়সালা করা দরকার।
