২০/১৯. অধ্যায়ঃ
যে ব্যাক্তি (মুসলমানদের বিরুদ্ধে) অস্ত্র ধারন করে
অস্ত্রধারণ সম্পর্কে হাদিস: মুসলিম সমাজে নিরাপত্তার গুরুত্ব
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৫৭৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৫৭৭
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَيُوسُفُ بْنُ مُوسَى وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْبَرَّادِ قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ شَهَرَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا " .
আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
[২৫৭৭] সহীহুল বুখারী ৭০৭১, মুসলিম ১০০, তিরমিযী ১৪৫৯। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৫৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। বর্ণনাটি খুব ছোট, কিন্তু এর বার্তা গভীর। মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধে অস্ত্র তোলা, ভয় দেখানো, রক্তপাতের পথ খুলে দেওয়া বা নিরাপত্তা নষ্ট করা—এসবকে ইসলাম ভয়াবহ কাজ হিসেবে দেখায়। “আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়” কথাটি এমন আচরণ থেকে কঠোর দূরত্বের ভাষা। হাদিসটি ব্যক্তিগত রাগ, দলীয় বিদ্বেষ বা বিশৃঙ্খলার নামে সহিংসতা থেকে সতর্ক করে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সমাজের নিরাপত্তা রক্ষা করা, মুসলিমদের জান-মালকে সম্মান করা এবং বিরোধ হলে অস্ত্র নয়, ন্যায়সঙ্গত পথ গ্রহণ করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসলিমদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তোলা ভয়াবহ অপরাধ।
- সমাজে নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষা করা জরুরি।
- রাগ বা বিরোধের কারণে সহিংসতার পথে যাওয়া ঠিক নয়।
- মুসলিমের জান-মালের সম্মান রক্ষা করতে হয়।
