১৯/৫. অধ্যায়ঃ
কেউ রক্ত সম্পর্কের বন্ধনযুক্ত গোলামের মালিক হলে সে স্বয়ং দাসত্বমুক্ত হয়ে যাবে।
রক্ত সম্পর্কযুক্ত দাসের মুক্তি: আত্মীয়তার মর্যাদা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৫২৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৫২৪
حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ الْبُرْسَانِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، وَعَاصِمٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ مَلَكَ ذَا رَحِمٍ مَحْرَمٍ فَهُوَ حُرٌّ " .
সামুরাহ বিন জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন: কেউ নিজের সাথে রক্ত সম্পর্কযুক্ত দাসের মালিক হলে সে স্বয়ং আজাদ হয়ে যাবে।
[২৫২৪] তিরমিযী ২৩৬৫, আবূ দাউদ ৩৯৪৯, আহমাদ ১৯৬৫৪, ১৯৬৯৬, ১৯৭১৫, ইরওয়া ১৭৪৬। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৫২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, কেউ যদি নিজের সঙ্গে রক্ত সম্পর্কযুক্ত মুহাররাম দাসের মালিক হয়, তাহলে সে স্বয়ং মুক্ত হয়ে যায়। বক্তব্যটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে আত্মীয়তার সম্মান স্পষ্ট। এখানে দাসমুক্তি শুধু সাধারণ দান বা সদকার বিষয় নয়; আত্মীয়তার বন্ধনের সঙ্গে যুক্ত একটি বিশেষ বিধান এসেছে। মানুষ যখন নিকট আত্মীয়ের মালিক হয়ে যায়, তখন সেই সম্পর্ককে দাসত্বের অধীনে রাখা ঠিক নয়—হাদিসের ভাষা এই অর্থই প্রকাশ করে। তাই রক্ত সম্পর্ক, মুহাররাম আত্মীয় এবং দাসমুক্তির বিষয় এখানে একসঙ্গে এসেছে। হাদিসটি আত্মীয়তার মর্যাদা ও মানবিক আচরণের দিকেও দৃষ্টি দেয়। তাই এই বর্ণনা পড়ার সময় হাদিসের সরাসরি শব্দগুলোকে আলাদা করে দেখা দরকার, যাতে মূল বক্তব্যের বাইরে অতিরিক্ত দাবি যুক্ত না হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রক্ত সম্পর্কযুক্ত মুহাররাম আত্মীয়ের বিশেষ মর্যাদা আছে।
- নিকট আত্মীয়কে দাস হিসেবে রাখা হাদিসের বক্তব্য অনুযায়ী থাকে না।
- দাসমুক্তির বিধানে আত্মীয়তার সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
