১৩/২. অধ্যায়ঃ
জুলুম ও উৎকোচ সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারি
ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহীতার উপর আল্লাহর অভিসম্পাত
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৩১৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৩১৩
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ خَالِهِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي " .
আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহীতার উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।
[২৩১৩] তিরমিযী ১৩৩৭, আবূ দাউদ ৩৫৮০, ৬৫৯৬, ৬৭৩৯, ৬৭৯১, ৬৯৪৫, ইরওয়া ২৬২০, মিশকাত ৩৭৫৩, রাওদুন নাদীর ৫৮৩, আত-তালীকুর রাগীব ৩/১৪৩। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৩১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ঘুষের ব্যাপারে খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু কঠিন সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহীতার উপর আল্লাহর অভিসম্পাত। এখানে শুধু ঘুষ নেওয়ার কথা নয়, ঘুষ দেওয়ার কথাও এসেছে। তাই ঘুষকে ছোট সুবিধা বা কাজ এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখা ঠিক নয়। বিচার, অধিকার, দায়িত্ব বা মানুষের হক যেখানে জড়িত, সেখানে ঘুষ ন্যায়কে নষ্ট করতে পারে। হাদিসের বক্তব্য সরাসরি: ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহীতা—দুই পক্ষই ভয়াবহ সতর্কতার মধ্যে পড়ে। তাই ঘুষ থেকে বাঁচা এবং হালাল পথে কাজ করা ঈমানি সতর্কতার অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুষ দেওয়া ও নেওয়া—দুই কাজের বিরুদ্ধেই কঠোর সতর্কতা এসেছে।
- ঘুষ মানুষের হক ও ন্যায়বিচার নষ্ট করতে পারে।
- অবৈধ সুবিধার জন্য টাকা বা উপহার দেওয়া থেকে বাঁচতে হবে।
