১২/৫৮. অধ্যায়ঃ
সুদ সম্পর্কে কঠোর বানী।
সুদের পাপের তিয়াত্তর স্তর: রিবা থেকে বাঁচার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২২৭৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২২৭৫
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ الصَّيْرَفِيُّ أَبُو حَفْصٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ زُبَيْدٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " الرِّبَا ثَلاَثَةٌ وَسَبْعُونَ بَابًا " .
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ সুদের পাপের তিয়াত্তরটি স্তর রয়েছে।
[২২৭৫] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইবনুস সালাম এর তাখরিজুল ঈমান ৯৯। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২২৭৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, সুদের পাপের তিয়াত্তরটি স্তর রয়েছে। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হলেও এর বার্তা খুব শক্তিশালী। সুদকে সাধারণ লেনদেন বা শুধু লাভের একটি মাধ্যম মনে করা বিপজ্জনক। হাদিসটি দেখায়, সুদের পাপের বিষয়টি বহু স্তরের এবং গুরুতর। তাই একজন মুসলিমের জন্য আয়, ঋণ, বিনিয়োগ ও ব্যবসায় সুদের পথ আছে কি না তা খেয়াল করা দরকার। তবে এই নির্দিষ্ট হাদিসে স্তরগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা নেই, তাই আমরা অতিরিক্ত ব্যাখ্যা যোগ করি না। মূল শিক্ষা হলো—সুদ থেকে দূরে থাকা, সুদভিত্তিক লেনদেনকে হালকা না ভাবা এবং সন্দেহ হলে আলেমদের কাছে জিজ্ঞেস করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সুদের পাপ বহু স্তরের বলে বর্ণিত হয়েছে।
- সুদকে সাধারণ লাভের বিষয় মনে করা ঠিক নয়।
- সন্দেহ হলে জ্ঞানী আলেমের কাছে জিজ্ঞেস করা উচিত।
