১২/১০. অধ্যায়ঃ
রক্তমোক্ষকের উপার্জন।
রক্তমোক্ষণের উপার্জন ভোগে সতর্কতা: আয় ব্যবহারের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২১৬৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২১৬৫
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، عُقْبَةَ بْنِ عَمْرٍو قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ كَسْبِ الْحَجَّامِ .
আবু মাসউদ উকবাহ বিন আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রক্তমোক্ষণের উপার্জন ভোগ করতে নিষেধ করেছেন।
[২১৬৫] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২১৬৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রক্তমোক্ষণের উপার্জন ভোগ করতে নিষেধ করেছেন। এখানে হাদিসের মূল শব্দ হলো রক্তমোক্ষণের উপার্জন এবং তা ভোগ করা। আগের বর্ণনাগুলোতে রক্তমোক্ষককে পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা এসেছে, আর এখানে সেই উপার্জন ভোগের বিষয়ে সতর্কতা এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে বলা যায়, এই হাদিস আয় ব্যবহারে সাবধান হতে শেখায়। কোনো আয় হাতে এলেই তা নিজের খাওয়া-দাওয়া বা আরামে খরচ করা উচিত কি না, সে বিষয়ে দীনদার মানুষ সতর্ক থাকে। ইসলামী স্কলারদের মতে এ ধরনের বর্ণনা বুঝতে একই বিষয়ের অন্যান্য বর্ণনাও দেখা হয়; তবে এই নির্দিষ্ট হাদিসের সরাসরি শিক্ষা হলো ভোগের ক্ষেত্রে সংযম ও সতর্কতা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রক্তমোক্ষণের উপার্জন ভোগ করার বিষয়ে হাদিসে নিষেধ এসেছে।
- আয় হাতে এলেই তা নিজের ভোগে ব্যবহার করা উচিত কি না, যাচাই দরকার।
- একই বিষয়ের বর্ণনা বুঝতে সতর্ক ও ভারসাম্যপূর্ণ থাকা উচিত।
