১০/৯. অধ্যায়ঃ
ইদ্দাত পালনরত অবস্থায় নারীরা কি বাইরে যেতে পারে?
ইদ্দতে নিরাপত্তা: ক্ষতির আশঙ্কায় ঘর বদলের অনুমতি
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২০৩৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২০৩৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ قَيْسٍ يَا رَسُولَ اللهِ إِنِّي أَخَافُ أَنْ يُقْتَحَمَ عَلَيَّ فَأَمَرَهَا أَنْ تَتَحَوَّلَ
ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার আশঙ্কা হয় যে, কেউ হয়তো আমার ঘরে জোরপূর্বক ঢুকে আমার ক্ষতি করবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে অন্য স্থানে চলে যাওয়ার অনুমতি দেন।
[২০৩৩] ইবনু মাজাহ ২০৩২, ২০২৪, মুসলিম ১৪৮০, সহীহ আবী দাউদ ১৯৮১। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২০৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ফাতিমা বিনত কায়েস (রাঃ)-এর মুখে তাঁর আশঙ্কার কথা এসেছে। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার আশঙ্কা হয়, কেউ হয়তো আমার ঘরে জোরপূর্বক ঢুকে আমার ক্ষতি করবে। তখন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে অন্য স্থানে চলে যাওয়ার অনুমতি দেন। এখানে ইদ্দত পালনরত নারীর ঘর বদলের বিষয়টি সাধারণ ভ্রমণ বা আরামের জন্য নয়, বরং নিরাপত্তা আশঙ্কার সঙ্গে জড়িত। তাই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো—ইদ্দতের নিয়ম আছে, আবার বাস্তব ক্ষতির ভয় থাকলে বিশেষ অবস্থার কথাও বিবেচনায় এসেছে। “ইদ্দতে নিরাপত্তা”, “ফাতিমা বিনত কায়েস” ও “ইদ্দতে স্থানান্তর”—এই বর্ণনার প্রধান বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নিরাপত্তার আশঙ্কা থাকলে ফাতিমা (রাঃ)-এর ক্ষেত্রে স্থানান্তরের অনুমতি এসেছে।
- ইদ্দতের নিয়ম বুঝতে ঘটনার বাস্তব অবস্থা দেখা দরকার।
- নিজের ক্ষতির ভয় হলে তা দায়িত্বশীলভাবে জানানো উচিত।
