৯/৪৫. অধ্যায়ঃ
ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তির বিবাহ করা ।
ইহরাম অবস্থায় বিবাহ করবে না: হাদিসের স্পষ্ট নির্দেশ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৯৬৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৯৬৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ رَجَاءٍ الْمَكِّيُّ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ نَبِيهِ بْنِ وَهْبٍ عَنْ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الْمُحْرِمُ لَا يَنْكِحُ وَلَا يُنْكِحُ وَلَا يَخْطُبُ
উসমান বিন আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি নিজে বিয়ে করবে না, অন্যকেও বিয়ে করাবে না এবং বিয়ের প্রস্তাবও দিবে না।
[১৯৬৬] মুসলিম ১৪০৯, তিরমিযী ৮৪০, নাসায়ী ২৮৪২, ২৮৪৩, ২৮৪৪, ৩২৭৫, ৩২৭৬, আবূ দাউদ ১৮৪১, আহমাদ ৪০৩, ৪৬৪, ৪৬৮, ৪৯৪, ৪৯৮, ৫৩৫, মুয়াত্তা মালেক ৭৮০, দারেমী ১৮২৩, ২১৯৮, ইরওয়াহ ১০৩৭, সহীহ আবী দাউদ ১৬১৪-১৬১৫, রওদুন নাদীর ৪৬৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৯৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ইহরাম অবস্থায় বিবাহের বিষয়ে তিনটি বিষয় নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইহরাম অবস্থায় কোনো ব্যক্তি নিজে বিয়ে করবে না, অন্যকেও বিয়ে করাবে না এবং বিয়ের প্রস্তাবও দেবে না। এখানে বিষয়টি খুব পরিষ্কার। শুধু নিজের বিবাহ নয়, অন্যের বিবাহের ব্যবস্থা করা এবং প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। তাই এই হাদিসে ইহরাম অবস্থার আদব ও সীমা বোঝানো হয়েছে। ইবাদতের বিশেষ অবস্থায় মানুষকে কিছু কাজ থেকে দূরে থাকতে হয়—এই হাদিসে বিবাহসংক্রান্ত সেই সীমার কথা সরাসরি এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় নিজে বিয়ে করা নিষেধ বলা হয়েছে।
- ইহরামে অন্যের বিয়ের ব্যবস্থা করাও নিষেধ।
- বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়েও সতর্কতা এসেছে।
- ইবাদতের বিশেষ অবস্থার নিয়ম মানা জরুরি।
