৯/৪০. অধ্যায়ঃ

চারের অধিক সংখ্যক স্ত্রী থাকা অবস্থায় কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে ।

গাইলান বিন সালামার ঘটনা: দশ স্ত্রী থেকে চারজন

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৯৫৩

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ أَسْلَمَ غَيْلَانُ بْنُ سَلَمَةَ وَتَحْتَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خُذْ مِنْهُنَّ أَرْبَعًا

ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

গাইলান বিন সালামা (রাঃ) যখন ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন তাঁর দশজন স্ত্রী ছিলেন। নবী (ﷺ) তাঁকে বলেনঃ তুমি তাঁদের মধ্যে চারজনকে রাখো।

[১৯৫৩] তিরমিযী ১১২৮, আহমাদ ৪৫৯৫, ৪৬১৭, ৫০০৭, ৫৫৩৩, মুয়াত্তা মালেক ১৪৪৩, ইরওয়াহ ১৮৮৩, মিশকাত ৩১৭১। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৯৫৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বলা হয়েছে, গাইলান বিন সালামা (রাঃ) ইসলাম গ্রহণের সময় তাঁর দশজন স্ত্রী ছিলেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে বলেন, তাদের মধ্যে চারজনকে রাখো। এই বর্ণনায় ইসলাম গ্রহণের পর বৈবাহিক সম্পর্ককে ইসলামী সীমার ভেতরে আনার শিক্ষা আছে। আগের সমাজে যা প্রচলিত ছিল, ইসলাম তা সব সময় বহাল রাখেনি; বরং ঠিক সীমা দিয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো বিবাহের সংখ্যা ও সংশোধন। হাদিসটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, নতুন ঈমানের সঙ্গে জীবনের সম্পর্কগুলোও ঠিক করা দরকার। তবে এই বর্ণনায় শুধু চারজন রাখার নির্দেশ এসেছে, অন্য বিস্তারিত শর্ত বলা হয়নি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দশ স্ত্রী থাকলে নবী (صلى الله عليه وسلم) চারজন রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
  • ইসলাম গ্রহণের পর পুরনো বৈবাহিক অবস্থা সংশোধন করা হয়।
  • বিবাহে সীমা মানা ইসলামী শৃঙ্খলার অংশ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন