৯/৩৭. অধ্যায়ঃ
দুধপানের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরের দুধপান সম্পর্কে।
ক্ষুধা নিবারণকারী দুধপান: দুধসম্পর্কের আসল মানদণ্ড
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৯৪৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৯৪৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَيْهَا وَعِنْدَهَا رَجُلٌ فَقَالَ مَنْ هَذَا قَالَتْ هَذَا أَخِي قَالَ انْظُرُوا مَنْ تُدْخِلْنَ عَلَيْكُنَّ فَإِنَّ الرَّضَاعَةَ مِنْ الْمَجَاعَةِ
আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তার নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করেন: এ ব্যক্তি কে? আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার ভাই। তিনি বলেন: তোমরা লক্ষ্য রাখবে যে, কাকে তোমরা অন্দর মহলে প্রবেশ করাচ্ছো। কেননা সেই দুধপানই ধর্তব্য যা ক্ষুধা নিবারণ করে (অর্থাৎ দুগ্ধপোষ্য শিশুর দুধপানই ধর্তব্য)।
[১৯৪৫] সহীহুল বুখারী ২৬৪৭, ৫১০২, মুসলিম ১৪৫৫, নাসায়ী ৩৩১২, আবূ দাউদ ২০৫৮, দারেমী ২২৫৬, সহীহ আবী দাউদ ১৭৯২, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৯৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে এক ব্যক্তিকে দেখে জিজ্ঞেস করেন, সে কে। আয়িশা (রাঃ) বলেন, সে তাঁর ভাই। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) সতর্ক করে বলেন, কাকে অন্দর মহলে প্রবেশ করানো হচ্ছে তা লক্ষ্য রাখতে হবে। এরপর তিনি বলেন, দুধপান ধর্তব্য সেটিই যা ক্ষুধা নিবারণ করে। অনুবাদে বোঝানো হয়েছে, দুগ্ধপোষ্য শিশুর দুধপানই ধর্তব্য। এই হাদিসে দুইটি বিষয় আছে—পর্দা ও ঘরে প্রবেশের সতর্কতা, আর দুধপানজনিত সম্পর্কের আসল মানদণ্ড। তাই দুধপান সম্পর্কের দাবি করলে শুধু নাম বা দাবি নয়, প্রকৃত দুধপানের ধরনও বিবেচ্য।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্দর মহলে কাকে প্রবেশ করানো হচ্ছে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
- ক্ষুধা নিবারণকারী দুধপানই দুধসম্পর্কের আলোচনায় ধর্তব্য।
- দুধসম্পর্কের দাবি শুনলেই গ্রহণ না করে যাচাই করতে হয়।
