৯/৩৪. অধ্যায়ঃ
বংশীয় সম্পর্কের দরুন যারা হারাম হয়, দুধপানজনিত কারণেও তারা হারাম হয়।
দুধ ভাইয়ের কন্যা বিবাহে হারাম: নবী صلى الله عليه وسلم-এর স্পষ্ট জবাব
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৯৩৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৯৩৮
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ وَأَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ قَالَا حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أُرِيدَ عَلَى بِنْتِ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَقَالَ إِنَّهَا ابْنَةُ أَخِي مِنْ الرَّضَاعَةِ وَإِنَّهُ يَحْرُمُ مِنْ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنْ النَّسَبِ
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে হামজা বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)-এর মেয়ের বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া হলে তিনি বলেনঃ সে তো আমার দুধ ভাইয়ের কন্যা। বংশীয় সম্পর্কের দরুন যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম, দুধপান জনিত সম্পর্কের দরুনও অনুরূপ মহিলাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম।
[১৯৩৮] সহীহুল বুখারী ২৬৪৫, মুসলিম ১৪৪৭, নাসায়ী ৩৩০৫, ৩৩০৬, আহমাদ ২৪৮৬, ইরওয়াহ ৬/২৮৪, রওদুন নাদীর ১১৯২। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৯৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সাথে হামজা বিন আবদুল মুত্তালিব রা.-এর মেয়ের বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া হলে তিনি বলেন, সে তো আমার দুধ ভাইয়ের কন্যা। এরপর তিনি মূলনীতি বলেন, বংশীয় সম্পর্কের কারণে যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম, দুধপানজনিত সম্পর্কের কারণেও অনুরূপ মহিলাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম। এই বর্ণনায় একটি বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে দুধপানের সম্পর্কের বিধান বোঝানো হয়েছে। রাসূল صلى الله عليه وسلم প্রস্তাবটি শুধু না বলেননি; কেন হালাল নয়, সেটাও পরিষ্কার করেছেন। হাদিসটি শেখায়, বিবাহের আগে দুধপানজনিত আত্মীয়তার বিষয় জানা গুরুত্বপূর্ণ। শুধু রক্তের সম্পর্ক দেখলেই যথেষ্ট নয়, দুধ সম্পর্কও বিবেচনা করতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুধ ভাইয়ের কন্যা বিবাহে হারাম হয়।
- দুধপানজনিত সম্পর্ক বংশীয় সম্পর্কের মতো বিবাহে প্রভাব ফেলে।
- বিবাহের প্রস্তাবের আগে আত্মীয়তার ধরন যাচাই করা দরকার।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم বিধান বলার সাথে কারণও পরিষ্কার করেছেন।
