৯/২৫. অধ্যায়ঃ
দাওয়াতকারীর দাওয়াত কবুল করা।
বিবাহ ভোজের দাওয়াত: কবুল করার সহজ সুন্নাহ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৯১৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৯১৪
حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ مَنْصُورٍ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى وَلِيمَةِ عُرْسٍ فَلْيُجِبْ
ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তোমাদের কাউকে বিবাহ ভোজের দাওয়াত দেয়া হলে সে যেন তা কবুল করে।
[১৯১৪] সহীহুল বুখারী ৫১৭৩, ৫১৭৯, মুসলিম ১৪২৯, তিরমিযী ১০৯৮, আবূ দাউদ ৩৭৩৬, ৩৭৩৮, ৩৭৪১, আহমাদ ৪৬৯৮, ৪৭১৬, ৪৯৩০, ৫৭৩২, ৬০৭১, ৬৩০১, মুয়াত্তা মালেক ১১৫৯, দারেমী ২০৮২, ২২০৫, আল-আদাব ৭২, ইরওয়াহ ১৯৪৮, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৯১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমাদের কাউকে বিবাহ ভোজের দাওয়াত দেওয়া হলে সে যেন তা কবুল করে। কথাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু সামাজিক জীবনের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওলীমা শুধু খাবারের আয়োজন নয়; এটি বিবাহের খবর, আনন্দ ভাগ করা এবং সম্পর্ক মজবুত করার একটি মাধ্যম। তাই দাওয়াত পেলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। অবশ্য হাদিসে এখানে শুধু মূল নির্দেশটি এসেছে—দাওয়াত গ্রহণ করা। এর বাইরে কোনো শর্ত বা বিস্তারিত আলোচনা এই বর্ণনায় নেই, তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে রাখা উচিত। মূল শিক্ষা হলো, মুসলিম সমাজে পারস্পরিক দাওয়াত, সৌজন্য ও সম্পর্কের মর্যাদা আছে। বিবাহের খুশিতে শরিক হওয়া সামাজিক বন্ধনকে সুন্দর করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিবাহ ভোজের দাওয়াত পেলে তা কবুল করা উচিত।
- ওলীমা সামাজিক সম্পর্ক মজবুত করার মাধ্যম।
- দাওয়াতকে অবহেলা না করে সম্মান দেওয়া ভালো।
- বিবাহের আনন্দে শরিক হওয়া সৌহার্দ্যের প্রকাশ।
