৯/২২. অধ্যায়ঃ
নপুংসকদের প্রসঙ্গে।
নারীর বেশধারী পুরুষ ও পুরুষের বেশধারিণী নারী সম্পর্কে হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৯০৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৯০৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ الْبَاهِلِيُّ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَعَنَ الْمُتَشَبِّهِينَ مِنْ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ وَلَعَنَ الْمُتَشَبِّهَاتِ مِنْ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) নারীর বেশধারী পুরুষদেরকে এবং পুরুষের বেশধারিণী নারীদেরকে অভিসম্পাত করেছেন।
[১৯০৪] সহীহুল বুখারী ৫৮৮৫, ৫৮৮৬, ৬৮৩৪, তিরমিযী ২৭৮৪, ২৭৮৫,আবূ দাউদ ৪০৯৭, ৪৯৩০, আহমাদ ১৯৮৩, ২০০৮, ২১২৪, ৩৪৪৮, দারেমী ২৬৪৯, রওয ৪৪৭, আল-আদাব ৪৪৭, হিজাবুল মারআহ ৬৭, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৯০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে নবী (صلى الله عليه وسلم) নারীর বেশধারী পুরুষ এবং পুরুষের বেশধারিণী নারীদের অভিসম্পাত করেছেন। এটি আগের হাদিসের মতো একই মূল বিষয়ে একটি স্পষ্ট সতর্কতা। এখানে মূল কথা হলো, মানুষ যেন তার পোশাক, সাজসজ্জা ও বাহ্যিক আচরণে এমন অনুকরণ না করে, যা নারী-পুরুষের স্বাভাবিক পরিচয়কে মুছে দেয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, বাহ্যিক রূপও চরিত্রের অংশ। পোশাক শুধু শরীর ঢাকার বিষয় নয়; এটি শালীনতা, পরিচয় ও সামাজিক আদবের সঙ্গে যুক্ত। তাই মুসলিমের জন্য সাজসজ্জা ও পোশাকেও সংযম, ভদ্রতা এবং নিজস্ব পরিচয়ের প্রতি খেয়াল রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিপরীত লিঙ্গের বেশ ধারণের ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার।
- পোশাক ও সাজসজ্জা শালীন পরিচয়ের অংশ।
- নারী-পুরুষের স্বাভাবিক ভিন্নতা সম্মান করা উচিত।
- ছোট মনে হলেও বাহ্যিক আচরণে দ্বীনি আদব মানা প্রয়োজন।
