৯/১৫. অধ্যায়ঃ
অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না।
অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না: ওয়ালীর সরল শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৮৮১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৮৮১
- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ الْهَمْدَانِيُّ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَا نِكَاحَ إِلَّا بِوَلِيٍّ
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না।
[১৮৮১] তিরমিযী ১১০১, আবূ দাউদ ২০৮৫, আহমাদ ১৯০২৪, ১৯২১১, ১৯২৪৭, দারেমী ২১৮২, ২১৮৩, ইরওয়াহ ১৮৩৯, মিশকাত ১৩৩০, আর-রাদ্দু আলা বালীক ১১০, সহীহ আবী দাউদ ১৮১৮। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৮৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না। অর্থাৎ বিবাহের ক্ষেত্রে ওয়ালী বা অভিভাবককে পাশ কাটিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি হাদিসের ভাষায় গ্রহণযোগ্য বলা হয়নি। এখানে কোনো দীর্ঘ ঘটনা নেই, কোনো বাড়তি শর্তের কথাও নেই; শুধু একটি মূলনীতি বলা হয়েছে। তাই “ইসলামে বিয়েতে অভিভাবক”, “ওয়ালী ছাড়া বিয়ে” বা “অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ” বিষয়ে এই হাদিসটি সরাসরি দলিল হিসেবে আলোচিত হয়। সহজভাবে বললে, বিবাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে পরিবার ও দায়িত্বশীল অভিভাবকের অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই এটি ছোট হলেও বিয়ের নিয়ম বুঝতে খুব কাজে লাগে। হাদিসটি পরিবার, অভিভাবক ও সামাজিক স্বীকৃতির বিষয়কে এক বাক্যে সামনে আনে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিবাহের ক্ষেত্রে অভিভাবককে গুরুত্ব দিতে হবে।
- হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও মূল বক্তব্য স্পষ্ট।
- ওয়ালী ছাড়া বিবাহের বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
- বিবাহকে দায়িত্বশীল সামাজিক চুক্তি হিসেবে দেখা হয়েছে।
