৭/৪৯. অধ্যায়ঃ
ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার আগে আহার করা।
ঈদুল ফিতর ও কুরবানির দিন: খাবারের ভিন্ন আদব
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৭৫৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৭৫৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنَا ثَوَابُ بْنُ عُتْبَةَ الْمَهْرِيُّ عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ لَا يَخْرُجُ يَوْمَ الْفِطْرِ حَتَّى يَأْكُلَ وَكَانَ لَا يَأْكُلُ يَوْمَ النَّحْرِ حَتَّى يَرْجِعَ
বুরায়দাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদুল ফিতরের দিন আহার না করে (ঈদের মাঠে) রওয়ানা হতেন না এবং কুরবানির দিন ঈদগাহ থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত আহার করতেন না।
[১৭৫৬] তিরমিযী ৫৪২, আহমাদ ২২৪৭৪, ২২৫৩৩, দারেমী ১৬০০, মিশকাত ১৪৪০। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৭৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর ঈদের দিনের আমল এসেছে। তিনি ঈদুল ফিতরের দিন আহার না করে ঈদের মাঠে রওয়ানা হতেন না। আর কুরবানির দিন ঈদগাহ থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত আহার করতেন না। একই হাদিসে দুই ঈদের খাবারের ভিন্ন আদব দেখা যায়। ঈদুল ফিতরে রমজানের রোজা শেষ হওয়ার আনন্দ প্রকাশে আগে খাওয়ার শিক্ষা আছে। আর কুরবানির দিনে ফিরে এসে খাওয়ার বর্ণনা এসেছে। হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, ততটুকু থেকেই বোঝা যায়, ঈদের দিনও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর অনুসরণে ছোট ছোট আমল আছে। মুসলিমের আনন্দও ইবাদতের আদবের সঙ্গে সুন্দর হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার আগে খাওয়ার বর্ণনা আছে।
- কুরবানির দিন ফিরে আসা পর্যন্ত না খাওয়ার বর্ণনা এসেছে।
- দুই ঈদের আদব একরকম নয়।
- ঈদের আনন্দও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল মেনে সুন্দর হয়।
