৭/৪৭. অধ্যায়ঃ
রোযাদারকে আহার গ্রহণের জন্য আহ্বান করা হলে।
রোজাদারের দাওয়াতে সাড়া: খাবেন কি না, তার সুন্দর সিদ্ধান্ত
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৭৫১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৭৫১
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ السُّلَمِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ دُعِيَ إِلَى طَعَامٍ وَهُوَ صَائِمٌ فَلْيُجِبْ فَإِنْ شَاءَ طَعِمَ وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, রোজাদার ব্যক্তিকে আহার গ্রহণের আহ্বান জানানো হলে সে যেন তাতে সাড়া দেয়। অতঃপর তার ইচ্ছা হলে খাবে অথবা ইচ্ছা হলে খাবে না।
[১৭৫১] মুসলিম ১৪৩০, আবূ দাউদ ৩৭৪০, আহমাদ ১৪৭৯৭, সহীহাহ ৩৪৭, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৭৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, রোজাদার ব্যক্তিকে আহারের দাওয়াত দিলে সে যেন তাতে সাড়া দেয়। এরপর তার ইচ্ছা হলে খাবে, আর ইচ্ছা হলে খাবে না। এই বর্ণনায় সামাজিক সম্পর্ক ও ইবাদতের সুন্দর ভারসাম্য আছে। রোজা রাখলে মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া উদ্দেশ্য নয়। দাওয়াতে সাড়া দিলে সম্পর্ক ভালো থাকে, আর রোজা ধরে রাখতে চাইলে সে না-ও খেতে পারে। হাদিসটি রোজাদারকে নমনীয়তা শেখায়। সে দাওয়াতকে অবহেলা করবে না, আবার নিজের সিয়ামের অবস্থাও বিবেচনা করবে। এতে বোঝা যায়, ইসলামী আদব মানুষের সঙ্গে ভদ্রতা ও আল্লাহর ইবাদত—দুই দিকই সুন্দর করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোজাদারও দাওয়াতে সাড়া দিতে পারে।
- দাওয়াতে গিয়ে খাওয়া বা না খাওয়ার সুযোগ আছে।
- সামাজিক সম্পর্ক ও ইবাদতের মধ্যে ভারসাম্য রাখা দরকার।
- রোজাদারের আচরণে ভদ্রতা ও নমনীয়তা থাকা উচিত।
