৭/২৪. অধ্যায়ঃ
যথাসময়ে ইফতার করা
যথাসময়ে ইফতার: রোযাদারের জন্য কল্যাণের পথ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৯৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৯৭
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ قَالَا حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْإِفْطَارَ
সাহল বিন সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, মানুষ কল্যাণের সাথে থাকবে, যতদিন তারা জলদি (যথাসময়ে) ইফতার করতে থাকবে।
[১৬৯৭] সহীহুল বুখারী ১৯৫৭, মুসলিম ১০৯৮ তিরমিযী ৬৯৯, আহমাদ ২২২৯৮, ২২৩২১, ২২৩৩৯, ২২৩৫২, ২২৩৬৩, মুয়াত্তা মালেক ৬৩৮, দারেমী ১৬৯৯, ইরওয়াহ ৯১৭, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, মানুষ কল্যাণের সঙ্গে থাকবে, যতদিন তারা জলদি বা যথাসময়ে ইফতার করতে থাকবে। এখানে রোযার শেষ সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব এসেছে। রোযা শেষ হলে ইফতার বিলম্ব করে কষ্ট বাড়ানোকে আলাদা কোনো গুণ হিসেবে দেখানো হয়নি। বরং সময় হলে ইফতার করাকেই কল্যাণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। রোযা হলো আল্লাহর নির্দেশ মানা; তাই শুরু ও শেষ—দুই সময়েই নির্দেশ মানা জরুরি। সূর্যাস্ত হয়ে গেলে নির্ধারিত সময়ে ইফতার করা রোযাদারের জন্য সুন্দর আমল। এই হাদিস আমাদের সহজ, ভারসাম্যপূর্ণ এবং সুন্নাহভিত্তিক ইবাদতের শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সময় হলে ইফতার করা কল্যাণের কারণ হিসেবে এসেছে।
- রোযা শেষ হওয়ার পর অকারণে ইফতার বিলম্ব করা উচিত নয়।
- সিয়ামের শুরু ও শেষ সময় মানা জরুরি।
- ইবাদতে সহজতা ও সুন্নাহ অনুসরণ গুরুত্বপূর্ণ।
