৭/২১. অধ্যায়ঃ
রোযাদার ব্যক্তির গীবত ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হওয়া ।
আমি রোযাদার: অশ্লীলতা ও ঝগড়া থেকে বাঁচার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৯১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৯১
- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ أَنْبَأَنَا جَرِيرٌ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ يَوْمُ صَوْمِ أَحَدِكُمْ فَلَا يَرْفُثْ وَلَا يَجْهَلْ وَإِنْ جَهِلَ عَلَيْهِ أَحَدٌ فَلْيَقُلْ إِنِّي امْرُؤٌ صَائِمٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কেউ যেন সিয়াম অবস্থায় অশ্লীল ও মূর্খতাসুলভ আচরণ না করে। কেউ তার সাথে মূর্খতাসুলভ আচরণ করলে সে যেন বলে, আমি রোযাদার।
[১৬৯১] সহীহুল বুখারী ১৮৯৪, ১৯০৪,মুসলিম ১১৫১,তিরমিযী ৭৬৪, নাসায়ী ২২১৬, ২২১৭, আহমাদ ৭৬৩৬, ৯৬৭৩, বায়হাকী ৪/২৭৫, সহীহ আবী দাউদ ২০৪৫, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন সিয়াম অবস্থায় অশ্লীল ও মূর্খতাসুলভ আচরণ না করে। কেউ যদি তার সঙ্গে মূর্খতার আচরণ করে, সে যেন বলে, আমি রোযাদার। এখানে রোযাদারের ব্যবহারিক আচরণের খুব সুন্দর শিক্ষা আছে। কেউ খারাপ ব্যবহার করলে পাল্টা খারাপ ব্যবহার করা সহজ, কিন্তু রোযা মানুষকে নিজেকে থামাতে শেখায়। আমি রোযাদার বলা মানে নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়া—আমি এখন ইবাদতের অবস্থায় আছি। তাই রাগ, অশ্লীল কথা, ঝগড়া এবং মূর্খতার আচরণ থেকে দূরে থাকা দরকার। এই হাদিস রোযাকে দৈনন্দিন চরিত্রের সঙ্গে যুক্ত করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোযা অবস্থায় অশ্লীল কথা ও আচরণ এড়িয়ে চলতে হবে।
- অন্য কেউ খারাপ আচরণ করলে পাল্টা খারাপ আচরণ করা উচিত নয়।
- আমি রোযাদার বলা নিজেকে সংযত রাখার উপায়।
- সিয়াম মানুষের মুখ ও আচরণকে শুদ্ধ করার শিক্ষা দেয়।
