৭/২১. অধ্যায়ঃ
রোযাদার ব্যক্তির গীবত ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হওয়া ।
রোযা ও মিথ্যাচার: শুধু ক্ষুধা নয়, চরিত্রও বদলাতে হবে
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৮৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৮৯
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ رَافِعٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْجَهْلَ وَالْعَمَلَ بِهِ فَلَا حَاجَةَ لِلَّهِ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যাচার, মূর্খতা ও মূর্খতাসুলভ কাজ ত্যাগ করলো না, তার পানাহার বর্জন করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই ।
[১৬৮৯] সহীহ আবী দাউদ, ২০৪৩, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যাচার, মূর্খতা এবং মূর্খতাসুলভ কাজ ত্যাগ করলো না, তার পানাহার বর্জন করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। এখানে রোযার গভীর শিক্ষা এসেছে। রোযা শুধু না খেয়ে থাকা নয়; মুখ, আচরণ ও চরিত্রকে ঠিক করার একটি ইবাদত। কেউ যদি রোযা রেখে মিথ্যা বলে, খারাপ আচরণ করে, মূর্খতার মতো কাজ করে, তাহলে সে রোযার আসল উদ্দেশ্য থেকে দূরে থাকে। হাদিসটি রোযাদারকে নিজের কথা ও কাজ যাচাই করতে শেখায়। রমজানে ক্ষুধা সহ্য করার পাশাপাশি সত্য কথা বলা, শান্ত থাকা এবং খারাপ কাজ ছাড়াও জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোযার সঙ্গে সত্যবাদিতা জরুরি।
- মিথ্যাচার ও মূর্খতাসুলভ কাজ রোযার শিক্ষার বিপরীত।
- শুধু পানাহার বর্জন করলেই রোযার উদ্দেশ্য পূর্ণ হয় না।
- রোযা মানুষের কথা ও আচরণ ঠিক করার শিক্ষা দেয়।
