৭/১৪. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি রমাদানের একটি রোযাও ভঙ্গ করে তার কাফফারা।
বিনা ওজরে রমজানের রোজা ভঙ্গের ভয়াবহ সতর্কতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৭২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৭২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ ابْنِ الْمُطَوِّسِ عَنْ أَبِيهِ الْمُطَوِّسِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ رُخْصَةٍ لَمْ يُجْزِهِ صِيَامُ الدَّهْرِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমজান মাসের একদিন সিয়াম ভাঙ্গে সে সারা জীবন সিয়াম রাখলেও তার কাফরা হবে না।
[১৬৭২] তিরমিযী ৭২৩, আবূ দাউদ ২৩৯৬, আহমাদ ৮৭৮৭, ৯৪১৩, ৯৫৯৩, ৯৭৩০, দারেমী ১৭১৪, তা’লীকুর রগীব ২/৭৪, যঈফ আবী দাউদ ৪১৩, মিশকাত ২০১৩। তাহকীক আলবানীঃ যঈফ। উক্ত হাদিসের রাবী (ইয়াযীদ) ইবনুল মুতাব্বিস সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে সিকাহ বললেও আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, আমি তাকে চিনি না। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি তার পিতা থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা তার হাদিসের অনুসরণ করা যায় না। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭৬৩৪, ৩৪/২৯৯ নং পৃষ্ঠা) ২. মুতাব্বিস সম্পর্কে ইবনু হাজার আসকালানী বলেন, তিনি অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬০১০, ২৮/৮৯ নং পৃষ্ঠা)
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমজান মাসের একদিন সিয়াম ভঙ্গ করে, সে সারা জীবন সিয়াম রাখলেও তার কাফফারা হবে না। এখানে মূল বিষয় হলো বিনা ওজরে রমজানের রোজা ভঙ্গের গুরুতরতা। হাদিসটি রমজানের রোজার মর্যাদা খুব স্পষ্টভাবে বোঝায়। রমজানের একটি দিনও ইচ্ছামতো ভাঙার বিষয় নয়। তবে হাদিসের ভাষা যেভাবে এসেছে, ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে থাকা উচিত। আমরা এটুকু বলতে পারি যে, বিনা অনুমতি বা ওজর ছাড়া রোজা ভাঙা খুব বড় অবহেলার বিষয়। এটি মানুষকে রমজানের সিয়ামকে হালকা করে না দেখার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের রোজা বিনা ওজরে ভাঙা গুরুতর সতর্কতার বিষয়।
- হাদিসে একদিন রোজা ভাঙার ব্যাপারেও কঠোর ভাষা এসেছে।
- রমজানের সিয়ামকে হালকা করে দেখা উচিত নয়।
- ওজর ও অনুমতির বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হয়।
