৭/৮. অধ্যায়ঃ
ঊনত্রিশ দিনেও মাস হয়।
মাস কখনও ২৯ দিন: নবী صلى الله عليه وسلم-এর সহজ শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৫৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৫৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا وَعَقَدَ تِسْعًا وَعِشْرِينَ فِي الثَّالِثَةِ
সা‘দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মাস এভাবে হয়, মাস এভাবে হয়, মাস এভাবেও হয় এবং তৃতীয়বারে তিনি একটি আঙুল বন্ধ করে রাখেন।
[১৬৫৭] মুসলিম ১০৮৬, নাসায়ী ২১৩৫, ২১৩৬ আহমাদ ১৫৯৭, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم মাসের দিনের সংখ্যা সহজভাবে বুঝিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মাস এভাবে হয়, মাস এভাবে হয়, মাস এভাবেও হয়। তৃতীয়বারে তিনি একটি আঙুল বন্ধ করে রাখেন। এর অর্থ, মাস ত্রিশ দিনের পাশাপাশি ঊনত্রিশ দিনেরও হতে পারে। এই শিক্ষা রমজান মাসের সিয়াম ও ঈদের সময় নির্ধারণে খুব কাজে লাগে। কারণ চাঁদের মাস কখনও ৩০ দিনে পূর্ণ হয়, আবার কখনও ২৯ দিনেই শেষ হয়। হাদিসের সৌন্দর্য হলো, নবী صلى الله عليه وسلم বিষয়টি জটিল ভাষায় নয়, হাতে ইশারা করে সহজভাবে বুঝিয়েছেন। তাই রোজা ও ঈদের বিষয়ে মাসের ভিন্নতা স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মাস ২৯ দিন হওয়া স্বাভাবিক—এ শিক্ষা পাওয়া যায়।
- নবী صلى الله عليه وسلم সহজভাবে বাস্তব নিয়ম বোঝাতেন।
- রমজানের দিনসংখ্যা চাঁদের মাস অনুযায়ী হয়।
