৬/৬১. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি সফররত অবস্থায় মারা গেলো ।
সফররত অবস্থায় মৃত্যু: শাহাদাতের আশার বর্ণনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬১৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬১৩
- حَدَّثَنَا جَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الْمُنْذِرِ الْهُذَيْلُ بْنُ الْحَكَمِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي رَوَّادٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مَوْتُ غُرْبَةٍ شَهَادَةٌ
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: সফররত অবস্থায় মৃত্যু হলো শহীদী মৃত্যু।
[১৬১১] মিশকাত ১৫৯৪, যহীফাহ ৪২৫। তাহকীক আলবানীঃ যঈফ। উক্ত হাদিসের রাবী জামীল ইবনুল হাসান সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি অপরিচিত। ইবনু আদী বলেন, আমি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। ২. আবুল মুনযীর হুযায়ল ইবনুল হাকাম সম্পর্কে ইমাম বুখারী ও ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় মুনকার। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক মুনকার করেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, সফররত অবস্থায় মৃত্যু হলো শহীদী মৃত্যু। মানুষ অনেক সময় নিজের ঘর, পরিবার ও পরিচিত পরিবেশ থেকে দূরে মারা যায়। এমন মৃত্যু পরিবারের জন্য কষ্টের হলেও হাদিসে এতে মর্যাদার কথা এসেছে। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, মৃত্যু কোথায় হবে তা মানুষের হাতে নেই; আল্লাহর ফয়সালাই শেষ কথা। তাই দূরে মারা যাওয়া কাউকে নিয়ে হতাশা বা খারাপ ধারণা করা উচিত নয়। বরং তার জন্য দোয়া করা, পরিবারের পাশে থাকা এবং আল্লাহর রহমতের আশা রাখা উচিত। হাদিসটি সফরে মৃত্যু বিষয়ে সান্ত্বনা ও আখিরাতমুখী চিন্তা শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফরে মৃত্যু নিয়ে হতাশ না হয়ে আল্লাহর রহমতের আশা করা যায়।
- মৃত্যুর স্থান মানুষের হাতে নয়; আল্লাহর ফয়সালা মেনে নিতে হয়।
- দূরে মারা যাওয়া ব্যক্তির পরিবারের পাশে দাঁড়ানো দরকার।
