৬/৫৭. অধ্যায়ঃ
সন্তানের মৃত্যুতে পিতা-মাতার সওয়াব।
সন্তান হারানো পিতা-মাতার জন্য আল্লাহর রহমতের আশা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬০৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬০৫
حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ حَمَّادٍ الْمَعْنِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يُتَوَفَّى لَهُمَا ثَلَاثَةٌ مِنْ الْوَلَدِ لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْثَ إِلَّا أَدْخَلَهُمْ اللهُ الْجَنَّةَ بِفَضْلِ رَحْمَةِ اللهِ إِيَّاهُمْ
আনাস বিন মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ কোন মুসলিম পিতা-মাতার তিনটি নাবালেগ সন্তান মারা গেলে, আল্লাহ তার বিশেষ অনুগ্রহে তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
[১৬০৩] সহীহুল বুখারী ১২৪৮, ১৩৮১; তিরমিযী ১০০৩; নাসায়ী ১৮৭২; ১৮৭৩; আহমাদ ১২১২৬ তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, কোনো মুসলিম পিতা-মাতার তিনটি নাবালেগ সন্তান মারা গেলে, আল্লাহ তাঁর বিশেষ অনুগ্রহে তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। হাদিসের মূল কথা হলো—সন্তান হারানোর গভীর কষ্ট আল্লাহর কাছে অদেখা থাকে না। মানুষ যখন এমন বেদনায় ধৈর্য ধরে, তখন সে আল্লাহর রহমতের আশায় থাকে। এখানে পিতা-মাতার কষ্টকে সম্মান করা হয়েছে এবং তাদের জন্য আশার দরজা দেখানো হয়েছে। তাই এমন পরিবারের সঙ্গে আচরণে খুব সতর্ক হওয়া দরকার। অযথা কথা, দোষারোপ বা তুলনা না করে তাদের পাশে নীরবে ও দয়ালু মন নিয়ে থাকা উচিত। এই হাদিস সন্তানের মৃত্যু বিষয়ে ধৈর্য, সান্ত্বনা ও আখিরাতের আশা শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সন্তান হারানো পিতা-মাতার কষ্ট আল্লাহর রহমতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
- শোকের সময় ধৈর্য রাখা ঈমানি শক্তির পরিচয়।
- সন্তানহারা মানুষকে দোষারোপ নয়, সান্ত্বনা দেওয়া উচিত।
