৫/১৮৪. অধ্যায়ঃ
সালাতরত ব্যাক্তি তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে।
রাতের সালাতে কিরাত আটকে গেলে কী করবেন
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৩৭২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৩৭২
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ كَاسِبٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ يَحْيَى بْنِ النَّضْرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَاسْتَعْجَمَ الْقُرْآنُ عَلَى لِسَانِهِ فَلَمْ يَدْرِ مَا يَقُولُ اضْطَجَعَ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ যখন রাতে সালাতে দাঁড়ায় এবং কিরাত পাঠে তার জিহ্বা আড়ষ্ট হয়ে আসে (তন্দ্রার কারণে), সে কী বলে তা বুঝে না, তখন সে শুয়ে পড়বে।
[১৩৭২] মুসলিম ৭৮৭, আবূ দাঊদ ১৩১১, আহমাদ ২৭৪৫০। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ তারগীব ৬৩৯, সহীহ আবী দাউদ ১১৮৪।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রাতের সালাতে তন্দ্রা ও কিরাত। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, তোমাদের কেউ যখন রাতে সালাতে দাঁড়ায় এবং তন্দ্রার কারণে কুরআন তার জিহ্বায় আড়ষ্ট হয়ে যায়, ফলে সে কী বলছে তা বুঝতে পারে না, তখন সে শুয়ে পড়বে। এই বর্ণনা খুব বাস্তবধর্মী। রাতের সালাত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ঘুমের কারণে কিরাত এলোমেলো হয়ে গেলে বা মানুষ নিজের কথাই বুঝতে না পারলে বিশ্রাম নেওয়া উচিত। এতে বোঝা যায়, সালাতে শুধু শব্দ উচ্চারণ নয়; বোঝা ও সচেতন থাকা দরকার। রাতের নামাজ, তাহাজ্জুদ বা নফল সালাতে ক্লান্তি এলে শরীরের অবস্থা বিবেচনা করার শিক্ষা এই হাদিসে আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের সালাতে তন্দ্রা এলে নিজের অবস্থা বুঝতে হবে।
- কিরাত কী পড়া হচ্ছে তা না বুঝলে শুয়ে পড়ার নির্দেশ এসেছে।
- সালাতে সচেতনতা ও বোঝাপড়া গুরুত্বপূর্ণ।
- ইবাদতে অতিরিক্ত চাপ নয়, ভারসাম্য দরকার।
