৫/১৮২. অধ্যায়ঃ
রাতের কোন্ সময় অধিক উত্তম?
রাতের শেষভাগে ইবাদত: নবীজির ঘুম ও জাগরণের আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৩৬৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৩৬৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَنَامُ أَوَّلَ اللَّيْلِ وَيُحْيِي آخِرَهُ .
আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন এবং শেষভাগে জাগ্রত থাকতেন।
[১৩৬৫] বুখারী ১১৪৬, মুসলিম ৭৩৯, নাসায়ী ১৬৪০, ১৬৮০; আহমাদ ২৩৮১৯, ২৪১৮৫, ২৪২৫৪, ২৫৬২৪। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৬৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রাতের শেষভাগে জাগরণ। আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন এবং শেষভাগে জাগ্রত থাকতেন। খুব অল্প কথায় এই হাদিস নবীজির রাতের জীবনধারার একটি দিক তুলে ধরে। এতে বোঝা যায়, তিনি শরীরের বিশ্রামও নিতেন এবং রাতের শেষভাগকে ইবাদতের জন্য কাজে লাগাতেন। যারা রাতের সালাত, তাহাজ্জুদের সময় বা শেষ রাতে দোয়ার আমল সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস একটি সহজ পথ দেখায়। তবে এখানে নির্দিষ্ট রাকাত সংখ্যা বা নির্দিষ্ট দোয়ার কথা বলা হয়নি। তাই মূল শিক্ষা হলো, বিশ্রাম ও ইবাদতের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন।
- তিনি রাতের শেষভাগে জাগ্রত থাকতেন।
- রাতের ইবাদতের জন্য শরীরের বিশ্রামও গুরুত্বপূর্ণ।
- শেষ রাত ইবাদতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বোঝা যায়।
